এক্সপ্লোর

Durga Puja 2023: শিশুকন্যা বেছেছিল হরগৌরির ছবি! তাই এই রূপেই আড়াই শতক ধরে পুজো

Purba Bardhaman: লক্ষ্ণী, সরস্বতী, গণেশ, কার্তিক-সকলেই রয়েছেন। গণেশ, কার্তিকের বাহন থাকলেও এখানে লক্ষ্মী, সরস্বতীর বাহন নেই।

Purba Bardhaman: লক্ষ্ণী, সরস্বতী, গণেশ, কার্তিক-সকলেই রয়েছেন। গণেশ, কার্তিকের বাহন থাকলেও এখানে লক্ষ্মী, সরস্বতীর বাহন নেই।

নিজস্ব চিত্র

1/10
সারা বাংলা মেতে উঠেছে পুজোর আনন্দে। দশভুজার যে প্রতিমার সঙ্গে বাঙালি পরিচিত। এই পুজোয় সেই প্রতিমা দেখা যায় না। এখানে দেবীর রূপ একটু ভিন্ন। রয়েছে মহাদেবের উপস্থিতিও। পূর্ব বর্ধমানের বড়শুলের 'দে বাড়ি'তে হরগৌরি রূপেই পূজিতা হন দেবী।
সারা বাংলা মেতে উঠেছে পুজোর আনন্দে। দশভুজার যে প্রতিমার সঙ্গে বাঙালি পরিচিত। এই পুজোয় সেই প্রতিমা দেখা যায় না। এখানে দেবীর রূপ একটু ভিন্ন। রয়েছে মহাদেবের উপস্থিতিও। পূর্ব বর্ধমানের বড়শুলের 'দে বাড়ি'তে হরগৌরি রূপেই পূজিতা হন দেবী।
2/10
এখানে দেবী দুর্গা মহাদেবের বাম উরুতে অধিষ্ঠাত্রী। দেবী এখানে দশভুজা নন, দ্বিভুজা। লক্ষ্ণী, সরস্বতী, গণেশ, কার্তিক-সকলেই রয়েছেন। গণেশ, কার্তিকের বাহন থাকলেও এখানে লক্ষ্মী, সরস্বতীর বাহন নেই।
এখানে দেবী দুর্গা মহাদেবের বাম উরুতে অধিষ্ঠাত্রী। দেবী এখানে দশভুজা নন, দ্বিভুজা। লক্ষ্ণী, সরস্বতী, গণেশ, কার্তিক-সকলেই রয়েছেন। গণেশ, কার্তিকের বাহন থাকলেও এখানে লক্ষ্মী, সরস্বতীর বাহন নেই।
3/10
কথিত রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের বড়শুলের 'দে বাড়ি'র পুজো অন্তত আড়াইশো বছরের পুরনো। এই পরিবারের পুজোর প্রচলন নিয়েও রয়েছে নানা কাহিনী। তখন নাকি বড়শুলের জমিদার যাদবচন্দ্র দে। প্রথমে তিনি নাকি ঘটে পুজো শুরু করেছিলেন। তারপরে জমিদার গৌরপ্রসাদ দে-এর আমল থেকে মূর্তিপুজো শুরু হয়। জমিদার বাড়িতে কীভাবে হরগৌরীর মূর্তি প্রতিষ্ঠিত হল?
কথিত রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের বড়শুলের 'দে বাড়ি'র পুজো অন্তত আড়াইশো বছরের পুরনো। এই পরিবারের পুজোর প্রচলন নিয়েও রয়েছে নানা কাহিনী। তখন নাকি বড়শুলের জমিদার যাদবচন্দ্র দে। প্রথমে তিনি নাকি ঘটে পুজো শুরু করেছিলেন। তারপরে জমিদার গৌরপ্রসাদ দে-এর আমল থেকে মূর্তিপুজো শুরু হয়। জমিদার বাড়িতে কীভাবে হরগৌরীর মূর্তি প্রতিষ্ঠিত হল?
4/10
একটা মত, এই পরিবারের পূর্বপুরুষদের কেউ স্বপ্নাদেশ পেয়ে হরগৌরীর আরাধনা শুরু করেন। আর একটা মত হচ্ছে, একসময় এই জমিদার বাড়িতে সাধুসন্তরা এসে থাকতেন। কথিত আছে, জমিদার গৌরপ্রসাদ দে-র আমলে তেমনই কোনও সাধু এসে ঝোলা থেকে বেশ কয়েকটি ছবি বের করেছিলেন। তারপর পরিবারের এক শিশুকন্যার চোখ বেঁধে একটি ছবি বেছে নিতে বলেছিলেন তাঁরা। সেই শিশুকন্যা হরগৌরীর ছবিটি তুলেছিল। তখন থেকেই হরগৌরীর পুজো শুরু হয় এখানে।
একটা মত, এই পরিবারের পূর্বপুরুষদের কেউ স্বপ্নাদেশ পেয়ে হরগৌরীর আরাধনা শুরু করেন। আর একটা মত হচ্ছে, একসময় এই জমিদার বাড়িতে সাধুসন্তরা এসে থাকতেন। কথিত আছে, জমিদার গৌরপ্রসাদ দে-র আমলে তেমনই কোনও সাধু এসে ঝোলা থেকে বেশ কয়েকটি ছবি বের করেছিলেন। তারপর পরিবারের এক শিশুকন্যার চোখ বেঁধে একটি ছবি বেছে নিতে বলেছিলেন তাঁরা। সেই শিশুকন্যা হরগৌরীর ছবিটি তুলেছিল। তখন থেকেই হরগৌরীর পুজো শুরু হয় এখানে।
5/10
এই পরিবার বৈষ্ণব। তখন কুলগুরুর পরামর্শে শুরু হয় পুজো। পরিবারের বর্তমান সদস্য হিমাদ্রিশঙ্কর দে জানান, সপ্তমীতে গোটা ছাঁচিকুমড়ো বলি দেওয়া হয়। অষ্টমীতে ছাগবলি হয়। নবমীতে তিনটে ছাঁচিকুমড়ো, চারটি শসা, বাতাবি লেবু ও মূলসহ তিনটি আখ বলি দেওয়া হয়।
এই পরিবার বৈষ্ণব। তখন কুলগুরুর পরামর্শে শুরু হয় পুজো। পরিবারের বর্তমান সদস্য হিমাদ্রিশঙ্কর দে জানান, সপ্তমীতে গোটা ছাঁচিকুমড়ো বলি দেওয়া হয়। অষ্টমীতে ছাগবলি হয়। নবমীতে তিনটে ছাঁচিকুমড়ো, চারটি শসা, বাতাবি লেবু ও মূলসহ তিনটি আখ বলি দেওয়া হয়।
6/10
বলি দেওয়া কোনও জিনিসই এই পরিবারের কেউ আহার করতে পারেন না। আগে সন্ধিপুজোয় বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা বাড়ির পুজোর কামানের আওয়াজ শুনে সন্ধিপুজোর বলিদান শুরু হতো। কিন্তু সেই কামান দাগা কয়েক দশক আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এখন ঘড়ির সময় দেখেই বলিদান হয়।
বলি দেওয়া কোনও জিনিসই এই পরিবারের কেউ আহার করতে পারেন না। আগে সন্ধিপুজোয় বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা বাড়ির পুজোর কামানের আওয়াজ শুনে সন্ধিপুজোর বলিদান শুরু হতো। কিন্তু সেই কামান দাগা কয়েক দশক আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এখন ঘড়ির সময় দেখেই বলিদান হয়।
7/10
এই পরিবারের একসময় পানপাতা ও লবণের ব্যবসা ছিল। দামোদর পথে চলত বাণিজ্য। একসময়ের বনেদিয়ানা এখন অতীত। কলকাতা থেকে সড়কপথে এলে বড়শুল মোড় বা জাতীয় সড়ক থেকে শক্তিগড় স্টেশন যাওয়ার জন্য জাতীয় সড়ক থেকে নেমে প্রায় দেড় কিলোমিটার গিয়ে ডানদিকে বাঁক নিয়ে গলি রাস্তা ধরলেই পৌঁছে যাওয়া যাবে 'দে' বাড়িতে।
এই পরিবারের একসময় পানপাতা ও লবণের ব্যবসা ছিল। দামোদর পথে চলত বাণিজ্য। একসময়ের বনেদিয়ানা এখন অতীত। কলকাতা থেকে সড়কপথে এলে বড়শুল মোড় বা জাতীয় সড়ক থেকে শক্তিগড় স্টেশন যাওয়ার জন্য জাতীয় সড়ক থেকে নেমে প্রায় দেড় কিলোমিটার গিয়ে ডানদিকে বাঁক নিয়ে গলি রাস্তা ধরলেই পৌঁছে যাওয়া যাবে 'দে' বাড়িতে।
8/10
অতীতের আভিজাত্য, ঐতিহ্য, ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে বিশাল অট্টালিকা। পলেস্তারা খসে পড়েছে বহু জায়গায়। তবে কয়েকটি বাড়িতে এখনও পরিবারের বংশধরেরা থাকেন। বাকিটা ফাঁকাই পড়ে রয়েছে। কাছারি বাড়ির ঠিক উল্টোদিকেই রয়েছে ঠাকুরদালান। সেখানেই রয়েছেন হরগৌরী। একটু দূরে রয়েছে কুলদেবতা রাজরাজেশ্বরের জিউ মন্দির।
অতীতের আভিজাত্য, ঐতিহ্য, ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে বিশাল অট্টালিকা। পলেস্তারা খসে পড়েছে বহু জায়গায়। তবে কয়েকটি বাড়িতে এখনও পরিবারের বংশধরেরা থাকেন। বাকিটা ফাঁকাই পড়ে রয়েছে। কাছারি বাড়ির ঠিক উল্টোদিকেই রয়েছে ঠাকুরদালান। সেখানেই রয়েছেন হরগৌরী। একটু দূরে রয়েছে কুলদেবতা রাজরাজেশ্বরের জিউ মন্দির।
9/10
পরিবারের সদস্য হিমাদ্রিশঙ্কর দে জানান, একসময় ঠাকুরদালানে রেড়ির তেলে ঝাড়বাতি জ্বলে উঠতো। দুর্গাপুজো উপলক্ষে আলোয় ঝলমল করে উঠত গোটা জমিদার বাড়ি। ঠাকুরদালানের প্রবেশ পথে ছিল বিশাল ঘণ্টা। সেইসব চুরি হয়ে গিয়েছে।
পরিবারের সদস্য হিমাদ্রিশঙ্কর দে জানান, একসময় ঠাকুরদালানে রেড়ির তেলে ঝাড়বাতি জ্বলে উঠতো। দুর্গাপুজো উপলক্ষে আলোয় ঝলমল করে উঠত গোটা জমিদার বাড়ি। ঠাকুরদালানের প্রবেশ পথে ছিল বিশাল ঘণ্টা। সেইসব চুরি হয়ে গিয়েছে।
10/10
পুজোর জৌলুস এখন অনেকটাই ফিকে হয়েছে। কিন্তু পরম্পরা মেনে আজও নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো হয় এখানে। দশমীর দিনে দেবীকে বাঁশের মাচা বেঁধে কাঁধে করে গোটা গ্রাম ঘুরিয়ে তারপর বিসর্জন করা হয়।
পুজোর জৌলুস এখন অনেকটাই ফিকে হয়েছে। কিন্তু পরম্পরা মেনে আজও নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো হয় এখানে। দশমীর দিনে দেবীকে বাঁশের মাচা বেঁধে কাঁধে করে গোটা গ্রাম ঘুরিয়ে তারপর বিসর্জন করা হয়।

আরও জানুন জেলার

Sponsored Links by Taboola

লাইভ টিভি

ABP আনন্দ
ABP અસ્મિતા
ABP ਸਾਂਝਾ
ABP न्यूज़
ABP माझा
ABP நாடு
POWERED BY
sponsor

সেরা শিরোনাম

RG Kar Case :  আর জি কর মামলার শুনানি শুরুর আগেই তদন্ত নিয়ে প্রতিক্রিয়া অভয়ার মায়ের, আজই আদালতে এই আবেদন জানাবেন তাঁরা
আর জি কর মামলার শুনানি শুরুর আগেই তদন্ত নিয়ে প্রতিক্রিয়া অভয়ার মায়ের, আজই আদালতে এই আবেদন জানাবেন তাঁরা
West Bengal News Live Updates:  ঘূর্ণিঝড় 'অর্ণব'-এর তাণ্ডবে মৃত্যু ৩ জনের, ধূলিসাৎ ৩১টি বাড়ি
ঘূর্ণিঝড় 'অর্ণব'-এর তাণ্ডবে মৃত্যু ৩ জনের, ধূলিসাৎ ৩১টি বাড়ি
Soil Trafficking: বিদ্যাধরী নদী থেকে মাটি চুরি, পুলিশি অভিযানে পাচারের আগেই নৌকা ফেলে চম্পট পাচারকারীদের
বিদ্যাধরী নদী থেকে মাটি চুরি, পুলিশি অভিযানে পাচারের আগেই নৌকা ফেলে চম্পট পাচারকারীদের
Gaighata Case: 'থানা থেকেই বলেছে এনকাউন্টার করে দেবে', প্রহ্লাদ দাসের এনকাউন্টার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তার পরিবারেরই একাংশ
'থানা থেকেই বলেছে এনকাউন্টার করে দেবে', প্রহ্লাদ দাসের এনকাউন্টার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তার পরিবারেরই একাংশ

ভিডিও

Cyclone Arnab Update : ঘূর্ণিঝড় 'অর্ণব'-এর প্রভাব, একাধিক উড়ান বাতিল
Food Safety News : হলদিরাম প্রভুজির রেস্টুরেন্ট ২দিন বন্ধ রাখার নির্দেশ খাদ্য সুরক্ষা দফতরের
Cyclone Arnab Update : অন্ধ্র উপকূলে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৫০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়ল 'অর্ণব'
ঘণ্টাখানেক সঙ্গে সুমন (২৭.১০.২৬) পর্ব ২ : এনকাউন্টারের পক্ষে সওয়াল দিলীপের,সরশুনাকাণ্ডে ধৃত ৩ জনকে নিয়ে পুনর্নির্মাণ পুলিশের
ঘণ্টাখানেক সঙ্গে সুমন (২৭.১০.২৬) পর্ব ১ : গাইঘাটা থেকে সামশেরগঞ্জ, একই দিনে রাজ্যে জোড়া এনকাউন্টার

ফটো গ্যালারি

ব্যক্তিগত কর্নার

সেরা প্রতিবেদন
সেরা রিল
Railways Recruitment: নিয়োগ হতে চলেছে ভারতীয় রেলে, কীভাবে আবেদন, কবে শেষ তারিখ, জেনে নিন
নিয়োগ হতে চলেছে ভারতীয় রেলে, কীভাবে আবেদন, কবে শেষ তারিখ, জেনে নিন
Nepal : আবার তুষারধসের আশঙ্কা?  প্রবল তুষারপাত, ঝড়ের আতঙ্ক নেপালে ! ট্রেকিংয়ের অনুমতি স্থগিত
আবার তুষারধসের আশঙ্কা? প্রবল তুষারপাত, ঝড়ের আতঙ্ক নেপালে ! ট্রেকিংয়ের অনুমতি স্থগিত
Baloch Prince Kidnapped: বালুচিস্তানের যুবরাজকে অপহরণ করা হল, অপহৃত তাঁর দেহরক্ষীরাও, নেপথ্যে কে? তল্লাশি চলছে
বালুচিস্তানের যুবরাজকে অপহরণ করা হল, অপহৃত তাঁর দেহরক্ষীরাও, নেপথ্যে কে? তল্লাশি চলছে
Choosing Front Door Colour: সাদা, কালো, বাদামি, হলুদ…বাড়ির দরজার রং দেখেও মানুষ চেনা যায়
সাদা, কালো, বাদামি, হলুদ…বাড়ির দরজার রং দেখেও মানুষ চেনা যায়
Cyclone Arnab : আরও ভয়ঙ্কর হল ঘূর্ণিঝড় 'অর্ণব', বাড়ল হাওয়ার গতি, নিরাপত্তার খাতিরে বিরাট ব্যবস্থা রেলের, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর
আরও ভয়ঙ্কর হল ঘূর্ণিঝড় 'অর্ণব', বাড়ল হাওয়ার গতি, নিরাপত্তার খাতিরে বিরাট ব্যবস্থা রেলের, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর
Salary Account: কোনও ব্যাঙ্কে স্যালারি অ্যাকাউন্ট খোলার আগে অবশ্যই মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলো
কোনও ব্যাঙ্কে স্যালারি অ্যাকাউন্ট খোলার আগে অবশ্যই মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলো
Gold Walkway in Dubai: খাঁটি সোনার রাস্তা তৈরি করছে দুবাই, ২৪ ক্যারাট ছাড়া অন্য কিছু নয়, পৃথিবীতে এই প্রথম
খাঁটি সোনার রাস্তা তৈরি করছে দুবাই, ২৪ ক্যারাট ছাড়া অন্য কিছু নয়, পৃথিবীতে এই প্রথম
Microsoft Layoffs: সরাসরি না তাড়িয়ে ৬০০০০ কর্মীকে 'স্বেচ্ছায়' চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব, মানুষ ছেঁটে AI-তে টাকা ঢালতে চায় মাইক্রোসফ্ট
সরাসরি না তাড়িয়ে ৬০০০০ কর্মীকে 'স্বেচ্ছায়' চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব, মানুষ ছেঁটে AI-তে টাকা ঢালতে চায় মাইক্রোসফ্ট
Embed widget