Virat Kohli: 'বাড়তি প্রস্তুতিতে বিশ্বাসী নই', শতরান হাঁকিয়ে কি নির্বাচকদেরই বার্তা দিলেন বিরাট কোহলি?
India vs South Africa: রাঁচিতে ১৩৫ রানের ইনিংস খেলেন বিরাট কোহলি। কেরিয়ারের ৫২তম ওয়ান ডে শতরান হাঁকান তিনি।

রাঁচি: দুই ফর্ম্যাট থেকে অবসরের পর বিরাট কোহলি (Virat Kohli) বর্তমানে কেবল আন্তর্জাতিক ওয়ান ডে ক্রিকেটই খেলেন। ৩৭ বছর বয়সে এসে মাত্র এক ফর্ম্যাট খেলা কোহলি কীভাবে নিজের ফর্ম এবং ফিটনেস ধরে রাখবেন, সেই নিয়ে জোর চর্চা চলছিল। ম্যাচ ফিটনেস বজায় রাখত তাঁকে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলারও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছিল। তবে রাঁচিতে শতরান হাঁকিয়ে নিজের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বললেন কোহলি। অনেকেই তাঁর জবাবের মধ্যে বোর্ড ও নির্বাচকদের প্রতি বিশেষ বার্তারও ইঙ্গিত পাচ্ছেন।
কী এমন বলেন বিরাট? ম্যাচের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসে কোহলিকে বলতে শোনা যায়, 'সত্যি বলতে আমি কখনই বাড়তি প্রস্তুতিতে বিশ্বাসী ছিলাম না। আমি তো মাথা খাটিয়ে আমার ক্রিকেটটা খেলি। আমার মাথা যতদিন বলবে, আমি খেলা চালিয়ে যাব। আর শরীরচর্চাটা আমি প্রচুর করি, তবে সেটা আর ক্রিকেট খেলার জন্য নয়, ওটা আমার জীবনের অঙ্গ হয়ে গিয়েছে। আমার ফিটনেস ঠিক থাকলে এবং মানসিকভাবে আমি বিষয়টা উপভোগ করলে এবং বল দেখে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিতে পারা, দ্রুত ছুটতে পারার মতো ঘটানাগুলি ঘটাতে পারলে নিঃসন্দেহেই সবটা ঠিক আছে বলে ধরে নেওয়া যাবে। ব্যাট থেকে রান আসবেই।'
দলের বাকি ক্রিকেটারদের থেকে দিন দু'য়েক আগেই রাঁচিতে চলে এসেছিলেন কোহলি। এই বিষয়ে তিনি জানান, ' আমি আগেও বহুবার বলেছি যে কোথাও খেলতে নামলে আমি নিজের ১২০ শতাংশ নিয়ে নামব। পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে চেয়েছিলাম। দিনের আলোতে দুই সেশন এবং রাতে এক সেশন ব্যাট করেই আমার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে যায়। ম্যাচের আগেরদিন আমি বিশ্রাম করি। কারণ বয়সটা ৩৭ আর আমাকেও তো শরীরের খেয়াল রাখতে হবে। আমি যদি নিজেকে দেখে মনে করি যে আমি বোলারদের শাসন করতে পারব, তাহলে নিঃসন্দেহেই আমি মানসিকভাবে ভাল জায়গায় রয়েছি বলে ধরে নিই এবং শান্তভাবে সেক্ষেত্রে ম্যাচও খেলতে পারি।'
টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের পর হয়ত বিজয় হাজারে ট্রফিতে খেলতে দেখা যাবে কোহলিকে। দিল্লির হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে দেখা যাবে কিং কোহলিকে। টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকেও গত বছরই অবসর নিয়েছিলেন বিরাট। কিন্তু বিসিসিআইয়ের তরফে বার্তা দেওয়া হয়েছে যে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতেই হবে। এই পরিস্থিতিতে আইপিএল ছাড়া সাদা বলের ফর্ম্য়াটে ছন্দ ধরে রাখতে হলে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতে হবে।



















