Building Collapsed in Kolkata | শহরের অলিগলিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিপজ্জনক বাড়ি, বৃষ্টি হতেই নামল বাড়ি-বিপর্যয়
কলকাতা : নিম্নচাপের জেরে দফায় দফায় বৃষ্টি। শহরের বুকে হুড়মুড়িয়ে ভাঙল দু'টি পুরনো বাড়ির একাংশ। একদিকে জোড়াবাগান। অন্যদিকে বড়বাজার। জোড়াবাগানে আবার ধ্বংসস্তূপের তলায় চাপা পড়ে মৃত্যু হয় এক মহিলা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মঙ্গলবার ভোর ৪টের সময় ভাঙতে শুরু করে ওই ২৫০ বছর পুরনো বাড়ি। তারপরেই কয়েক সেকেন্ডের তফাৎ। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে সেটি। এবার এই বাড়ি-বিপর্যয় নিয়ে তৎপর পুরসভা। কলকাতার বিভিন্ন প্রান্ত আজও ছড়িয়ে রয়েছে বহু পুরনো বাড়ি। ইতিমধ্যেই বহু বাড়িকে চিঠি ধরিয়েছে পুরসভা। তারপরেও বিশেষ যে কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এমন নয়। হাজরা মোড় থেকে দেশপ্রিয় পার্কে চারিদিকে ছড়িয়ে পুরনো ও বিপজ্জনক বাড়ি।
আরও খবর : বিদেশিনী হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুমিছিল! গ্রেফতার বাবা-ছেলে
সম্পূর্ণ খবর : ভোর সাড়ে ৪টে। দিনের আলো তখনও ফোটেনি। শ্রাবণের মাসের শেষ সোমবার ফলত, তারাপীঠে পুণ্যার্থীদের ভিড় এখনও কাটেনি। থানা থেকে ঢিলছোড়া দূরত্ব। সেখানেই পুকুরের ধারে রয়েছে হোটেল 'বিদেশিনী'। পাঁচতলা ভবনের নীচে সোমবার ভোরের দিকে আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। দ্রুত তা বিভিন্ন ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। তখনও হোটেল জুড়ে কাটেনি ঘুমের রেশ। তার মধ্যে এই ভয়াবহ কাণ্ড। ধোঁয়ার কারণে ঘুম ভাঙে একাংশের। তারপর ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। কিন্তু ততক্ষণে অনেকটাই ছড়িয়ে পড়েছিল আগুন। ফলে ঘরের মধ্যেই আটকে পড়েন অনেক। পড়ে যায় হুড়োহুড়ি। ঝলসেই মৃত্যু হয় বেশ কয়েকজনের। তবে সুস্থ মতো উদ্ধার করা যায় বেশ কয়েকজন পুণ্যার্থীদের। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে মোট ৮ জনের। যার মধ্যে তিন জন আলিপুরদুয়ার এবং পাঁচ জন মেঘালয়ের বাসিন্দা। কিন্তু কীভাবে আগুন লাগল? হোটেলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থায় কি ত্রুটি ছিল? হোটেলে থাকা পুণ্যার্থীদের অভিযোগ, আগুন লাগার অনেক পরেও কোনও ভাবেই ফায়ার অ্যালার্ম বাজেনি। এবার এই ঘটনায় তৈরি ৪ সদস্যের 'স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম'। এছাড়াও গ্রেফতার করা হয়েছে হোটেলের মালিক ও তাঁর ছেলেকে।





















