Bridge Collapse: গুজরাতের ব্রিজ-বিপর্যয়ের আবহে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের সেতু বিপর্যয়
ABP Ananda Live: পোস্তা থেকে মাঝেরহাট, উল্টোডাঙা। গুজরাতের ব্রিজ-বিপর্যয়ের আবহে, ফের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে আমাদের রাজ্য়ের সেতু বিপর্যয়। ২০১৩-র চৌঠা মার্চ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল উল্টোডাঙা উড়ালপুলের মাঝের অংশ। ২০১৬-র ৩১ মার্চ পোস্তার বিবেকানন্দ উড়ালপুলের একটা বড় অংশ! মৃত্যু হয় ২৭ জনের। ২০১৮-র চৌঠা সেপ্টেম্বর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে মাঝেরহাট ব্রিজের একটা অংশ। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে, বিজেপি শাসিত রাজ্যে ব্রিজ বিপর্যয় নিয়ে, তৃণমূল যখন তদন্তের দাবি তুলছে, আক্রমণ শানাচ্ছে, তখন এ রাজ্যে পোস্তা থেকে মাঝেরহাটে ঘটে যাওয়া একাধিক উড়়ালপুল দুর্ঘটনার দায় তারা কীকরে এড়াতে পারে? এনিয়ে শুরু হয়েছে তরজা।
'গরম দেখাচ্ছ ?' বলেই ধর্মঘটি সিপিএম নেতাকে সপাটে চড় পুলিশ আধিকারিকের !
ধর্মঘট রুখতে কোথাও তৎপর পুলিশ, কোথাও আবার পুলিশের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগ উঠল। ধর্মঘটিদের টেনে-হিঁচড়ে, চ্যাংদোলা করে গাড়িতে তুললেন পুলিশ কর্মীরা। দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুরে, ধর্মঘটি সিপিএম নেতাকে চড় কষালেন থানার IC। অন্য়দিকে, ধর্মঘট সমর্থকদের চড় খেতে হল পুলিশকেও। কলেজ স্ট্রিটে, প্রিজন ভ্য়ানে তোলার সময়, জোড়াসাঁকো থানার OC-কে চড় মারেন SFI নেত্রী । মোদি সরকারের বিভিন্ন শ্রম নীতির বিরুদ্ধে বাম ও কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনগুলির ডাকে ধর্মঘট। ধর্মঘটের কড়া বিরোধিতা করে পথে নামল তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন। ধর্মঘটে অংশ নিল না আরএসএস-এর শ্রমিক সংগঠন। আর তৃণমূলের পাশাপাশি ধর্মঘট রুখতে বুধবার সক্রিয় ভূমিকায় দেখা গেল পুলিশকে। যে পুলিশ তৃণমূল দাদাগিরি করলে চুপ করে বসে থাকে বলে অভিযোগ, অনুব্রত মণ্ডল আইসির- মা ও স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় আক্রমণ করলেও, পর্যাপ্ত কড়া ব্য়বস্থা নেয় না বলে অভিযোগ, বাম-কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের ডাকা ধর্মঘটের দিন সেই পুলিশকেই দেখা গেল এই ভূমিকায়।

















