রয়্যাল এনফিল্ডের নতুন ইলেকট্রিক বাইকের এক্স-শোরুম দাম ২.৭৯ লাখ টাকা। এটি কোম্পানির গেরিলার থেকেও বেশি দামি।
Royal Enfield Electric Bike : ২.৭৯ লাখ টাকা দাম ! রয়্যাল এনফিল্ডের ইলেকট্রিক বাইক এল প্রকাশ্যে, খুব বেশি দামি ?
Royal Enfield Flying Flea C6 : Enfield Electric Bike)। যার এক্স শোরুম প্রাইস রাখা হয়েছে ২.৭৯ লাখ টাকা। তবে এই বাইকের দাম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

- রয়্যাল এনফিল্ডের প্রথম ইলেকট্রিক বাইক Flying Flea C6 প্রকাশ্যে এল।
- বাইকের এক্স-শোরুম দাম ২.৭৯ লাখ, তবে BAAS মডেলে দাম কম।
- ১২৪ কেজি ওজনের এই বাইকটি ১৫.৪ কিলোওয়াট শক্তি উৎপন্ন করে।
- একবার চার্জে ১৫৪ কিমি যেতে পারে, সম্পূর্ণ চার্জে ২ ঘণ্টা ১৬ মিনিট।
Royal Enfield Flying Flea C6 : ছবি প্রকাশ্যে এসেছিল অনেক আগেই। এবার সামনে এল রয়্যাল এনফিল্ডের প্রথম ইলেকট্রিক বাইক (Royal Enfield Electric Bike)। যার এক্স শোরুম প্রাইস রাখা হয়েছে ২.৭৯ লাখ টাকা। তবে এই বাইকের দাম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। রয়্যাল এনফিল্ডের (Royal Enfield Electric Bikes) গুণমুদ্ধদের মতে, এটি কোম্পানির সবথেকে দামি বাইক গেরিলার থেকেও ব্যয়বহুল।
কোম্পানি দাম সামলাতে কী করেছে
বর্তমানে কোম্পানির বেশিরভাগ ৩৫০ সিসির বাইকের দাম এই ইলেকট্রিক বাইকের থেকে কম। এমনকী সদ্য আনা গেরিলা ৪৫০ বাইকের দামও এই ইভির থেকে সস্তা। যা কারণে প্রথমেই বাইকের দাম নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন অনেক রাইডার। তাদের মতে, যে টাকায় পেট্রোল বাইকের সেরা অপশন পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে ইলেকট্রিক কিনতে এত দাম দিতে হবে কেন। বর্তমানে Royal Enfield Flying Flea C6 -এর এক্স শোরুম প্রাইস রাখা হয়েছে ২.৭৯ লাখ টাকা।
তবে এর কম দামের একটা সংস্করণও রয়েছে
কোম্পানি এই ইলেকট্রিক বাইকের একটি কম দামি মডেলের ব্যবস্থা করেছে। যাকে বলা হচ্ছে, ব্য়াটারি অ্যাজ এ সার্ভিস মডেল (BAAS) বা বাস সংস্করণ। এই মডেলে আপনি বাইক পুরো না কিনে ব্যাটারি আলাদা করে ভাড়া নিতে পারেন। যাতে আপনার খরচ অনেক কমবে। সেই ক্ষেত্রে ব্যাটারি চার্জ করার জন্য আপনার থেকে ভাড়া নেবে কোম্পানি। এই (BAAS) মলেডের দাম রাখা হয়েছে ১.৯৯ লাখ টাকা।
ইলেকট্রিক বাইক এত হালকা
তবে এই বাইকের সবথেকে বড় প্লাস পয়েন্ট এর ওজন। মাত্র ১২৪ কিলোতে পাওয়া যাচ্ছে রয়্যাল এনফিল্ডের এতা পাওয়ারফউল বাইক। কোম্পানির তরফে জানানো হয়েছে, এতে ব্যবহার হয়েছে ফোর্জড অ্যালুমুনিয়াম। যা অত্যন্ত শক্তিশালী। পাশাপাশি ওজন কম রাখার জন্য ব্যাটারির ঢাকনা ম্যাগনেশিয়াম রাখা হয়েছে। যে কারণে এত হালকা হয়েছে বাইক।
কত শক্তি উৎপন্ন করতে পারে এই ইলেকট্রিক বাইক
Flying Flea C6-এ একটি বৈদ্যুতিক মোটর রয়েছে, যা ১৫.৪ কিলোওয়াট শক্তির পাশাপাশি ৬০ নিউটন-মিটার টর্ক উৎপন্ন করে। এর ০ থেকে ৬০ কিমি/ঘণ্টা গতি তুলতে সময় লাগে মাত্র ৩.৭ সেকেন্ড। এর সর্বোচ্চ গতি মাত্র ১১৫ কিমি/ঘণ্টা। ৩.৯১ কিলোওয়াট-ঘণ্টার একটি ব্যাটারি প্যাকের সাহায্যে এটি একবার চার্জে ১৫৪ কিমি (IDC রেঞ্জ অনুযায়ী) পথ পাড়ি দিতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়েছে।
পুরো চার্জ করতে কত সময় নেয়
এই বৈদ্যুতিক বাইকটি সম্পূর্ণ চার্জ হতে ২ ঘণ্টা ১৬ মিনিট সময় নেয়। এর নকশাটি অনন্য ও একইসঙ্গে বেশ ছিমছাম বা 'মিনিমালিস্ট' ধাঁচের। এতে ২০৭ মিমি-এর মতো বেশ ভালো গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্সও রয়েছে। তবে নকশার দিক থেকে এতে RE (Royal Enfield)-এর মতো প্রথাগত বাইকগুলির সেই বলিষ্ঠ বা ভারিক্কি ভাবটি অনুপস্থিত রয়েছে। এমনকি এটি দেখতে অত্যন্ত সরু হওয়ায় রাস্তায় এর উপস্থিতি বা 'রোড প্রেজেন্স' কিছুটা ম্লান মনে হতে পারে। কোনও কোনও কোণ থেকে দেখলে এটিকে কিছুটা বেমানান বা অদ্ভুতও মনে হতে পারে।
Frequently Asked Questions
রয়্যাল এনফিল্ডের নতুন ইলেকট্রিক বাইকের দাম কত?
কম দামে ইলেকট্রিক বাইক কেনার কোনো বিকল্প আছে কি?
হ্যাঁ, আছে। 'ব্যাটারি অ্যাজ এ সার্ভিস' (BAAS) মডেলে বাইক কেনা যেতে পারে। এতে ব্যাটারি ভাড়া নেওয়া যায়, ফলে খরচ কম হয়।
রয়্যাল এনফিল্ডের ইলেকট্রিক বাইকটির ওজন কত?
এই ইলেকট্রিক বাইকটির ওজন মাত্র ১২৪ কেজি। ওজন কমাতে এতে ফোর্জড অ্যালুমিনিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম ব্যবহার করা হয়েছে।
এই ইলেকট্রিক বাইকটি কত গতি তুলতে পারে এবং একবার চার্জে কতদূর যেতে পারে?
এটি ০ থেকে ৬০ কিমি/ঘণ্টা গতি মাত্র ৩.৭ সেকেন্ডে তুলতে পারে। একবার চার্জে এটি ১৫৪ কিমি (IDC রেঞ্জ অনুযায়ী) যেতে পারে।
পুরো চার্জ হতে কত সময় লাগে?
এই ইলেকট্রিক বাইকটি সম্পূর্ণ চার্জ হতে ২ ঘণ্টা ১৬ মিনিট সময় নেয়।























