Bengal SIR Row: অনুমতি ছাড়াই ৩ রোল অবজার্ভারকে "বদলি" ! গুরুতর অভিযোগে রাজ্যকে এবার চিঠি নির্বাচন কমিশনের
EC on State Government: কমিনশনকে না জানিয়েই ৩ রোল অবজারভারকে বদলির অভিযোগ। রাজ্যকে চিঠি কমিশনের।

কলকাতা: অনুমতি ছাড়াই ৩ রোল অবজার্ভারকে বদলি রাজ্যের, রাজ্যকে চিঠি কমিশনের। অশ্বিনী কুমার যাদব উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভার। রনধীর কুমার, উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তরের রোল অবজার্ভার। স্মিতা পাণ্ডে, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের রোল অবজারভার। কমিনশনকে না জানিয়েই ৩ রোল অবজারভারকে বদলির অভিযোগ। অনুমতি ছাড়া রোল অবজার্ভারদের বদলি আইনবিরুদ্ধ, চিঠিতে বার্তা কমিশনের। বদলির নির্দেশ বাতিল করতে হবে, চিঠিতে নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের।
আরও পড়ুন, রাজ্যে নিতিন নবীন, শাহ সফরের আগে তীব্র কটাক্ষ কুণালের !
সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু, মঙ্গলবারও সব জায়গায় লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশিত হয়নি বলে অভিযোগ। এদিনই লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি এবং আনম্যাপড ভোটারের তালিকা একসঙ্গে টাঙানো-সহ একাধিক অভিযোগ নিয়ে CEO-র সঙ্গে দেখা করেন তৃণমূলের পাঁচ প্রতিনিধি। অন্য়দিকে, ফর্ম সেভেন জমায় বাধার অভিযোগ নিয়ে CEO-র দ্বারস্থ হয় বিজেপি।'ডেডলাইন' ছিল শনিবার, কিন্তু, মঙ্গলবারও সব জায়গায় লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশিত হয়নি বলে অভিযোগ
BLO ও ভোটকর্মী ঐক্যমঞ্চর। ১৯ জানুয়ারি, সোমবার সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেয়, 'লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি' বা 'তথ্য়গত অসঙ্গতি'র তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তালিকায় কাদের নাম রয়েছে প্রকাশ্য়ে তা জানাতে হবে। প্রকাশ্য়ে টাঙিয়ে দিতে হবে সেই তালিকা। এরপরই ২১ জানুয়ারি একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। সেখানে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ২৪ জানুয়ারি, শনিবারের মধ্যে প্রকাশ করা হবে লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা।কিন্তু কোথায় কী? এখনও পর্যন্ত কলকাতা থেকে জেলার সর্বত্র লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা টাঙানো হয়নি বলে অভিযোগ BLO ও ভোটকর্মী ঐক্যমঞ্চর।
BLO ও ভোটকর্মী ঐক্যমঞ্চ সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে হলেও, সর্বত্র এখনও হয়নি, ERO-র থেকে BLO-দের কোনও নির্দেশ এখনও আসেনি। এর মধ্য়েই মঙ্গলবার মুখ্য় নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে আসেন তৃণমূল-বিজেপির প্রতিনিধিরা।লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি এবং আন ম্যাপডের তালিকা একসঙ্গে টাঙিয়ে দেওয়া-সহ একাধিক অভিযোগ নিয়ে এদিন CEO-র সঙ্গে দেখা করে তৃণমূলের পাঁচ জনের প্রতিনিধিরা।তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি এবং আন ম্যাপডের তালিকা একসঙ্গে টাঙিয়ে দেওয়া হচ্ছে...CEO ERO–কে বলেছে মাইক্রো আবজার্ভারদের লগ ইন আইডির পারমিশন দিতে, এটা চুপি চুপি ভোটে কারচুপি।বিজেপি আবার বহু জায়গায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে ফর্ম-সেভেন জমা দিতে না দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানায়।একদিকে SIR-এর শুনানিতে হয়রানি চলছে। তেমন রাজনৈতিক তরজার পারদও চড়ছে দিনে দিনে।























