পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ তুঙ্গে ! সে-সব দেশের পরীক্ষার্থীদের ৫-৬ তারিখের পরীক্ষা বাতিল করল CBSE
যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ঘরবন্দি সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল সিবিএসই।

নয়া দিল্লি: মুহুর্মুহু বোমাবর্ষণ। অন্ধকারে মিসাইল হামলা। আকাশ বাতাস কাঁপানো শব্দে বিস্ফোরণ। ঘন ঘন ওয়ার সাইরেনের কাঁপুনি ধরানো শব্দ। আমেরিকা-ইজরায়েল বনাম ইরানের যুদ্ধের আঁচে পুড়ছে পশ্চিম এশিয়া। অনেক স্কুল কলেজই বন্ধ। ঘরবন্দি সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল সিবিএসই।
পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সিবিএসই-র একাধিক সেন্টার আছে। সে সব কেন্দ্রের ছাত্র ছাত্রীদের সুরক্ষার কথা ভেবে বড় সিদ্ধান্ত নিল বোর্ড। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন আগামী ৫ ও ৬ তারিখে নির্ধারিত সব পরীক্ষা বাতিল করা হল। CBSE বোর্ড পশ্চিম এশিয়ার বেশ কয়েকটি জায়গায় ৫-৬ মার্চ নির্ধারিত দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা স্থগিত রাখল। পড়ুয়াদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত। বোর্ড এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, নতুন তারিখ পরে ঘোষণা করা হবে। শিক্ষার্থী এবং স্কুলগুলিকে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাহরাইন, ইরান, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বৃহস্পতিবার ০৫ মার্চ এবং শুক্রবার, ০৬ মার্চ তারিখে দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির উভয় পরীক্ষাই স্থগিত রাখা হবে। নতুন তারিখ পরে ঘোষণা করা হবে।
এছাড়াও বোর্ড জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ , পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে । তারপর ৭ মার্চ থেকে নির্ধারিত পরীক্ষার বিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেবে। সব শিক্ষার্থীকে আপডেটের জন্য তাদের স্কুলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। সরকারি ঘোষণা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বোর্ডের তরফে।
ভারত থেকে বেড়াতে এবং কাজের সূত্রে বহু মানুষ যান পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোতে। এখন ভীত, সন্ত্রস্ত অবস্থায় সেখানে আটকে পড়েছেন তাঁরা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, সেই সমস্ত দেশে বসবাসকারী সকল ভারতীয় নাগরিকের সুরক্ষার জন্য, আমরা সেই সব দেশের সঙ্গে একত্রিত হয়ে কাজ চালিয়ে যাব।
অন্যদিকে, ইজরায়েল এবং ইরান তো বটেই, এই যুদ্ধের কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে কুয়েত, ইরাক, সিরিয়া, লেবানন, বাহারিন এবং জর্ডনের আকাশসীমাও। বন্ধ বিমান পরিষেবা। ফলে, বিশ্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্য়স্ততম বিমানবন্দর--দুবাই এবং দোহা সাধারণ যাত্রীদের জন্য পুরোপুরি বন্ধ। আর আবু ধাবি বিমানবন্দর থেকে যাতায়াত করছে হাতে গোনা কয়েকটি দেশের যাত্রীবাহী বিমান। আর, পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোর উপর দিয়ে যে বিমানগুলি অন্যান্য দেশে যায়, এখন সেগুলিকেও যেতে হচ্ছে ঘুরপথে। ফলে, পাড়ি দিতে হচ্ছে বিস্তীর্ণ পথ। অতিরিক্ত জ্বালানি লাগছে।























