Kirti Azad News : কীর্তি আজাদের নাম করে ২ লক্ষ টাকার ফোন প্রতারণা, গ্রেফতার তৃণমূলেরই প্রাক্তন কাউন্সিলর
Kirti Azad News : কীর্তি আজাদ জানান তিনি কাউকেই মোবাইল ফোন কিনতে বলেননি। এই ঘটনা তাঁর একেবারেই অজানা।

মনোজ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর : তৃণমূল সাংসদের নাম করে বিরাট অঙ্কের প্রতারণা। গ্রেফতার তৃণমূল দলেরই প্রাক্তন কাউন্সিলর।পুলিশ সূত্রে খবর, সাংসদ কীর্তি আজাদের নাম করে দোকান থেকে প্রায় দুই লক্ষ টাকার মোবাইল ফোন কেনেন তাঁরা। অথচ পুরোটাই ধারে ! যে টাকা আর কোনওদিনই শোধ হয়নি।
কীর্তি আজাদের নাম করে মোবাইল কেনা
পুলিশ সূত্রে খবর, দুর্গাপুরের একটি দোকান থেকে ১ লক্ষ ৯১ হাজার টাকার মোবাইল ফোন নিয়ে যান তৃণমূল নেতা মানস রায় ও তাঁর ছেলে অভ্রনীল রায়। দোকানীকে বলে দেন, যা কিনছেন সাংসদকে দেওয়ার জন্য। এই কথা বলে একটিও টাকা না দিয়েই দোকান ছাড়েন তাঁরা। এরপর বারবার টাকা চাওয়া সত্ত্বেও একটি টাকাও দেননি বাবা-ছেলে। বারবারই কীর্তি আজাদের নাম করেই টাকা দেওয়া এড়িয়ে গিয়েছেন। অভিযোগ, তাঁরা একবার চেক দিলেও তা বাউন্স হয়ে যায়।
কী জানালেন কীর্তি আজাদ ?
নিরুপায় হয়ে ওই ব্যবসায়ী তৃণমূল সাংসদের সঙ্গেই যোগাযোগ করেন। সব কথা খুলে বলেন। শুনে কীর্তি আজাদ জানান তিনি কাউকেই মোবাইল ফোন কিনতে বলেননি। এই ঘটনা তাঁর একেবারেই অজানা। তিনি স্পষ্ট করে দেন, প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা যেই হোন না কেন, তিনি বরদাস্ত করবেন না। পুলিশ সূত্রের খবর, সাংসদ নিজেই পুলিশকে খবর দেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে ডেকে পাঠানো হয় অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে। টানা কয়েকঘণ্টা জেরার পর পুরো ঘটনাটা পরিষ্কার হয়। পুলিশ গ্রেফতার করে তৃণমূল নেতা মানস রায় ও তাঁর ছেলেকে।
যদিও পুলিশের দাবি, আপাতত তৃণমূল দলের কোনও 'অ্যাফিলিয়েশন' নেই তাঁদের নামে। তাই এটা একটি অপরাধের ঘটনামাত্র। এর সঙ্গে রাজনীতি খুঁজতে যাওয়া ঠিক নয়। তবে এটাও ঠিক মানস রায় তৃণমূল দলেরই প্রাক্তন কাউন্সিলর। এই পরিস্থিতিতে মানসকে 'বদলোক' বলছেন দলেরই বিধায়ক। পাণ্ডবেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর কথায় 'মানসটা বরাবরই বদ। ও কিছু অন্যায় কাজ করে বেড়াচ্ছিল। প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় কাউকে রেয়াত করেন না। অন্যায় করলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে।'





















