ED raids on IPAC West Bengal: I-PAC অফিসে তল্লাশিতে 'বাধা', 'ক্ষমতার অপব্যবহার, ফাইল ছিনতাই', হাইকোর্টে ইডি, কাল শুনানি?
ED raids IPAC: এই ঘটনা নিয়েই এবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে মামলা দায়েরের আর্জি ইডির ।

সৌভিক মজুমদার, কলকাতা: কয়লাকাণ্ডে দিল্লির একটি পুরনো মামলায় সকাল থেকে অভিযানে ED। আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও সল্টলেকের অফিসে পৌঁছয় ED। এরপরই আচমকা অফিস চত্বরের বাইরে গাড়ি রেখে পায়ে হেঁটে আইপ্যাক অফিসে ঢোকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০ মিনিট আইপ্যাক অফিসে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঢোকার সময় হাত খালি থাকলেও, বেরনোর সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে ছিল সবুজ ফোল্ডার। হার্ড ডিস্ক, ল্যাপটপ, আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীকের ফোন নিয়ে বাইরে বেরোন মুখ্যমন্ত্রী। সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিসেও ED-র অভিযান। সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিসেও পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। সল্টলেকের অফিস থেকে বেশ কিছু কাগজপত্র ও ফাইল তোলা হল মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িতে।
এই ঘটনা নিয়েই এবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে মামলা দায়েরের আর্জি ইডির । আইপ্যাক অফিসে তল্লাশিতে 'বাধা', এই আবেদন নিয়েই হাইকোর্টে ইডি। মামলা দায়েরের অনুমতি হাইকোর্টের, কাল শুনানির সম্ভাবনা।
একটি বিবৃতি দিয়ে ইডির তরফে বলা হয়, নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই তল্লাশি, কোনও পার্টি অফিসকে টার্গেট করা হয়নি। সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফাইল ছিনিয়ে নিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় সরকারি আইনজীবী ডেপুটি সলিসিটার জেনারেল ধীরজ দ্বীবেদী বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সেখানে তিনি বলেন, কয়লা পাচারকাণ্ডে দুর্নীতি নিয়ে একাধিক জায়গায় তল্লাশি করছে ইডি। সেই তদন্তেই প্রতীক জৈনের বাড়ি ও আইপ্যাক অফিসে যান ইডি আধিকারিকরা।
IPAC কর্ণধারের বাড়ি-অফিসে তল্লাশি নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে ইডির। বলা হয়, 'শান্তিপূর্ণ ও পেশাদারি কায়দায় তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। তল্লাশি চলাকালীন হঠাৎ প্রচুর পুলিশ নিয়ে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। প্রচুর গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস কেড়ে নিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। IPAC কর্ণধারের বাড়ি থেকে সল্টলেকে IPAC-এর অফিসে ঢোকেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর সহযোগী ও পুলিশ অফিসাররা IPAC-এর অফিসে ঢোকেন। জোর করে গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস কেড়ে নেন'।
ইডি এও জানান, 'তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই অভিযান চলছিল, কোনও রাজনৈতিক দলকে টার্গেট করে নয়। কোনও পার্টি অফিসে তল্লাশি চালানো হয়নি। পশ্চিমবঙ্গের ৬টি ও দিল্লির ৪টি জায়গায় তল্লাশি। কয়লা পাচার মামলা ও হাওয়ালা যোগের তদন্তে তল্লাশি অভিযান। ১০ কোটি টাকা লেনদেনের সূত্রে IPAC কর্ণধারের বাড়ি-অফিসে তল্লাশি'। হাওয়ালা-চক্রের সঙ্গে জড়িত IPAC, বিবৃতি ED-র।






















