Metro Service: সপ্তাহের শুরুতেই মেট্রো বিভ্রাট, যান্ত্রিক ত্রুটিতে এই অংশ থেকে টালিগঞ্জ পর্যন্ত মেট্রো চলাচল ব্যাহত !
Kolkata Metro Service Disrupted : সপ্তাহের শুরুতেই মেট্রো বিভ্রাট এই অংশে..

কলকাতা: সপ্তাহের শুরুতেই মেট্রো বিভ্রাট। যান্ত্রিক ত্রুটিতে দক্ষিণেশ্বর থেকে টালিগঞ্জ পর্যন্ত মেট্রো চলাচল ব্যাহত। সকালে মেট্রো বিভ্রাটে চূড়ান্ত নাজেহাল নিত্যযাত্রীরা।
আরও পড়ুন, 'অমিত শাহ হলেন আমাদের লক্ষ্মী পেঁচা' ! খোঁচা তৃণমূল নেতা অরূপের
সম্প্রতি মেট্রো ভোগান্তি দেখা গিয়েছিল। টালিগঞ্জ স্টেশনে ঢোকার একটু আগেই থমকে গিয়েছিলল দক্ষিণেশ্বরগামী পাতাল রেলের চাকা। ৪০মিনিটের ওপর কামরায় বন্ধ থাকার পর, চালকের দরজা দিয়ে বের করা হয় আটকে পরা যাত্রীদের। থার্ড রেলের ঝুঁকি পেরিয়েই আসতে হয় টালিগঞ্জ স্টেশনে। ঘটনার পর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। মেট্রোরেল সূত্রে খবর, রেকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আচমকা থমকে যায় চাকা। প্রায় পৌনে দু'ঘণ্টা পর পরিস্থিতি আয়ত্তে আসে।
ছড়ানো হাইভোল্টেজ বিদ্যুতের তার! মেট্রোর সেই থার্ড রেল বাঁচিয়ে কার্যত হাতের মুঠোয় প্রাণ নিয়ে পৌঁছতে হয়েছিল টালিগঞ্জ স্টেশনে! গত বছর শেষের শেষ রবিবার কলকাতা মেট্রোয় সওয়ার হয়ে এভাবেই বেনজির ভোগান্তি পোহাতে হয়েছিল যাত্রীদের। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ছিল, সকাল ১১টা ১৫ নাগাদ, টালিগ়ঞ্জ স্টেশনে ঢোকার মুখে প্রচণ্ড ঝাঁকুনি দিয়ে বন্ধ হয়ে যায় দক্ষিণেশ্বরগামী মেট্রো। অভিযোগ, বন্ধ হয়ে যায় আলো, AC-সহ রেকের সমস্ত পরিষেবা। হাঁসফাঁস ভিড়ে প্রায় দমবন্ধ অবস্থায় অন্তত ৪০ মিনিট কাটাতে হয় বলে অভিযোগ করেছেন মেট্রো যাত্রীদের একাংশ।
ভুক্তভোগী মেট্রো যাত্রীর কথায়, টালিগঞ্জে ঢোকার সময় মেট্রোর সমস্যা হল। ৪০ মিনিট কোনও সার্ভিস আমরা পাইনি।পুরো বসেছিলাম, সাফোকেশন (দমবন্ধ পরিস্থিতি) তৈরি হচ্ছিল।ব্রেক মারার পর পুরো লোডশেডিং হয়ে গেল। AC বন্ধ! লাইট বন্ধ হয়ে গেল!প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে বসে রয়েছি। স্টাফ বাইরে ঘোরাঘুরি করছে, কিন্তু কেউ গেটটা ওপেন করছে না।'দুর্ভোগের এখানেই শেষ নয়।মেট্রোর ব্লু লাইনের যাত্রীদের অভিযোগ,দীর্ঘক্ষণ পর আটকে পড়া মেট্রোর যাত্রীদের চালকের কামরা দিয়ে বাইরে বের করে আনা হয়।থার্ড লাইন এড়িয়ে আসতে হয় টালিগঞ্জে। যা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন মেট্রো যাত্রীরা।
ভুক্তভোগী মেট্রো যাত্রী বলেছিলেন, অনেক কষ্টে এমার্জেন্সি ডোর খোলা হল। প্রচুর ভিড় ছিল। আস্তে আস্তে লোকজনকে সামনের গেট দিয়ে নামানো হচ্ছিল।লাফিয়ে নামতে হয়েছে। কারেন্ট ছিল বলে! ভুক্তভোগী মেট্রো যাত্রী বলেছিলেন, ২০ বছর-২৫ বছর আগে যে অ্যানাউন্সমেন্ট, যে মাইকের ব্যবস্থা সেটাই করে রেখেছে। কী বলছে একটা কিছুই বোঝা যাচ্ছে না!এটা প্রত্যেকদিনের ঘটনা। মেট্রোরেল সূত্রে খবর,রেকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আচমকা থমকে যায় রেকের চাকা।এর আগে , নোয়াপাড়া-বিমানবন্দর রুটে মেট্রোয় বড়সড় বিভ্রাট হয়। সন্ধে সাড়ে ৭টা নাগাদ আচমকা অন্ধকার হয়ে যায় একাধিক স্টেশন। প্রশ্ন হল, কেন বারবার একই ঘটনা? যে মেট্রো এখন যাতায়াতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম, সেখানেই কি রক্ষণাবেক্ষণের কোনও অভাব থাকছে? এমন প্রশ্নও তুলছে যাত্রীদের একাংশ।






















