Kolkata News: মুকুন্দপুরে বাড়ির সামনে গাড়ি রাখা নিয়ে বচসা, সেখান থেকে হাতাহাতি, কানের একাংশ কাটা গেল যুবকের
Car Parking: গাড়ি রাখা নিয়ে বচসা। সেই বিবাদই পৌঁছল সাংঘাতিক পর্যায়। অভিযোগ, বেধড়ক মারধরে কানের একাংশ কাটা গেছে পুরসভার অস্থায়ী কর্মী এক গাড়ি চালকের।

হিন্দোল দে, কলকাতা : মুকুন্দপুরে বাড়ির সামনে গাড়ি রাখা নিয়ে বচসা। সেখান থেকে হাতাহাতি। সেই বিবাদই এমন পর্যায পৌঁছল যে কানের একাংশ কাটা গেল যুবকের। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে। গাড়ি রাখা নিয়ে বচসা। সেই বিবাদই পৌঁছল সাংঘাতিক পর্যায়। অভিযোগ, বেধড়ক মারধরে কানের একাংশ কাটা গেছে পুরসভার অস্থায়ী কর্মী এক গাড়ি চালকের। ঘটনাস্থল পূর্ব যাদবপুর থানার মুকুন্দপুর।
অভিযোগকারী গাড়ি চালক সুব্রত মণ্ডলের দাবি, শুক্রবার দুপুরে শুভজিৎ সাহা, নামে ওই যুবকের বাড়ির সামনে গাড়ি রেখেছিলেন তিনি। গাড়ি চালকের দাবি, কেন বাড়ির সামনে গাড়ি রাখা হয়েছে.. তা নিয়ে অশান্তির শুরু। অভিযোগ, বচসার মধ্য়েই বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন শুভজিৎ সাহা। শুরু হয় হাতাহাতি। অভিযোগ, কাঠের বাটাম দিয়ে বেধড়ক মারা হয় গাড়ি চালককে। তাঁর কানের একাংশ কেটে বেরিয়ে যায়।
সুব্রত মজুমদার নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, 'গাড়িটা ওঁর বাড়ির বিপরীতে দাঁড়ানো ছিল। একটু জায়গা ছিল। গাড়ি চলাচলের যথেষ্ট জায়গা ছিল। সেখানে উনি বললেন যে গাড়িটা সরিয়ে নাও। আধিকারিকের যে চালক সে বলল ২ মিনিট লাগবে আমরা এখনই বেরিয়ে পড়ব। উনি তৎক্ষণাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে যান। কাঠের একটা লাঠি ছিল, সেই লাঠি দিয়ে আঘাত করে মাথায়। মাথায় লেগেছে কিছুটা অংশ। কানের এই জায়গা পর্যন্ত ছিঁড়ে গেছে। ছিঁড়ে পড়ে গেছে।'
অভিযোগ, প্রথমে পূর্ব যাদবপুর থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। যদিও পুলিশ সূত্রে দাবি, অভিযোগ নেওয়া হয়নি, এই দাবি সঠিক নয়। শুক্রবার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে। অন্যদিকে, সুজন সরকার (অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর, SWM, কলকাতা পুরসভা), জানিয়েছেন, 'পুলিশের কাছে গেছিলাম ২ বারা ফিরিয়ে দিয়েছে। তারপর উচ্চপদস্থ কর্তাদের বলার পর অভিযোগ নিয়েছে।'
গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে পার্কিং নিয়ে বচসার জেরে খুন হতে হয়েছিল এক ব্যক্তিকে
এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল ইছাপুরে। জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দা সৌভিক রায়ের বাড়ির সামনে গাড়ি দাঁড় করিয়ে কচুরি খেতে গিয়েছিলেন আরেক স্থানীয় যুবক দিলীপ দাস। বাড়ির সামনে গাড়ি দেখেই মেজাজ হারান সৌরভ। শুরু হয় তুমুল বচসা। অভিযোগ, দিলীপের গাড়িতে ভাঙচুর করেন সৌরভ। সেই সময় ছুটে আসেন দিলীপ। জিজ্ঞেস করেন কেন তাঁর গাড়িতে এভাবে ভাঙচুর করা হল। সেই সময়েই দিলীপকে মারধর করতে শুরু করেন সৌরভ। অভিযোগ, রাস্তায় ড্রেনের পাশে ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় দিলীপকে। চলতে থাকে, কিল, চড়, লাথি, ঘুষি। রক্তাক্ত অবস্থায় কোনও ভাবে দিলীপকে উদ্ধার করে স্থানীয় পুরসভার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে গুরুতর জখম দিলীপকে স্থানান্তর করা হয় ব্যারাকপুর হাসপাতালে। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।























