Fake Visa Case : ভিসা পাইয়ে দেওয়ার নামে বাংলাদেশি প্রতারণায় নিউটাউনে গ্রেফতার দুই বাংলাদেশি!
অভিযোগ, বাংলাদেশের দুই নাগরিককে ভিসা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে নিউটাউন বালিগড়ি এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্টে ডেকে পাঠায় অভিযুক্তরা। তাঁরা আসতেই তাঁদের থেকে তিন লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

রঞ্জিত সাউ, নিউটাউন: বঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এসআইআর ইস্যু নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ইতিমধ্যেই যার আঁচ পৌঁছেছে রাজধানী দিল্লিতে। এসআইআর তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে এখন চর্চা তুঙ্গে। এর মধ্যেই রাজ্যে ঘটে চলেছে জাল আধার কার্ড, জাল পাসপোর্ট করিয়ে দেওয়ার মতো একের পর এক ঘটনা। এবার দুই বাংলাদেশের নাগরিককে ভিসা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগ উঠল নিউটাউনে। তাঁদের আটকে রেখে মারধর করার অভিযোগে দুজন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে টেকনো সিটি থানার পুলিশ। ঘটনায় আটক এক।
অভিযোগ, বাংলাদেশের দুই নাগরিককে ভিসা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে নিউটাউন বালিগড়ি এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্টে ডেকে পাঠায় অভিযুক্তরা। তাঁরা আসতেই তাঁদের থেকে তিন লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেখানেই শেষ নয়, এমনকী তাঁদের বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠছে। টেকনো সিটি থানার পুলিশ খবর পেয়ে তড়িঘড়ি নিউটাউনের সেই অ্যাপার্টমেন্টে পৌঁছায় এবং সেখান থেকে দুজনকে উদ্ধার করে। এই ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে গ্রেফতারের পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত একজন মহিলাকে আটক করা হয়েছে।
ঘটনার তদন্তে নেমে টেকনো সিটি থানার পুলিশ জানতে পারে, এই চক্র নতুন নয়। জানা যাচ্ছে, একাধিক বাংলাদেশী ব্যক্তিকে ভিসা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে এরা দিনের পর দিন প্রতারণা চক্র চালিয়ে যাচ্ছিল। বাংলাদেশি হওয়ার সুবাদে অভিযুক্তরা মূলত বাংলাদেশিদেরই টার্গট করত এবং ভিসা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে এই প্রতারণার ফাঁদ পাতত। প্রথমে টাকা হাতানো এবং পরে আটকে রেখে মারধর করেই কার্যসিদ্ধি করত অভিযুক্তরা।
মঙ্গলবার দুই অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করা করেছে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে পুলিশ জানতে চাইবে, এই দুজনই কি এই চক্রের মূল নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে আরও কোনও বড় মাথা।
আবার এই এসআইআর আবহেই রবিবার ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জলসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে একটি বাংলাদেশি ট্রলার আটক করে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। গ্রেফতার করা হয় ২৮ জন মৎস্যজীবীকে। এর মধ্যে রবীন্দ্র দাস নামে এক মৎস্যজীবীর কাছ থেকে উদ্ধার হয় ভারতীয় আধার কার্ড। সোমবার ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার হাতে তাদের তুলে দেওয়া হয়। ধৃতদের কাকদ্বীপ মহকুমা আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।























