Kunal Ghosh: তৃণমূল ভবনের গেটে তালা লাগাল 'ঋতব্রত তৃণমূল', তারপরই সেখানে হাজির কুণাল ঘোষ
Trinamool: সন্ধে ৬ টার একটু পরই 'ঋতব্রত তৃণমূল' -এর একাধিক বিধায়ক দল বেঁধে আসেন তৃণমূল ভবনে। তাঁরা কার্যত 'দখল' নেন তৃণমূল ভবনের। তারপরই সেখানে এসে পৌঁছান কুণাল ঘোষ সহ আরও কয়েকজন নেতা।

কলকাতা: সন্ধে ৬ টার দিকে মেট্রোপলিটনের তৃণমূল ভবনে এসে কার্যত সেই ভবনের 'দখল' নিল ঋতব্রত তৃণমূল। আর এরই মধ্যে সন্ধে ৭ টার দিকে তৃণমূল ভবনে এসে পৌঁছলেন কুণাল ঘোষ। তিনি গাড়ি থেকে নামতেই তাঁকে ঘিরে ধরেন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা। সেখানে কুণাল ঘোষ এসে কথা বলেন তৃণমূল ভবনের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের সঙ্গে।
মেট্রোপলিটনের তৃণমূল ভবনের গেটের বাইরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া তৃণমূলের ব্যানার আগে থেকেই ছিল। এদিন তার পাশে আরও একটা ব্যানার লাগিয়ে দিয়ে যায় 'ঋতব্রত তৃণমূল'। সেখানে লেখা চেয়ারম্যানের নাম অরূপ রায়।
এদিন সন্ধে ৬ টার একটু পরই 'ঋতব্রত তৃণমূল' -এর একাধিক বিধায়ক দল বেঁধে আসেন তৃণমূল ভবনে। গতকালই তাঁদের ১০ জনের প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে নথি জমা করে আসেন। আর তারপর আজ তাঁরা আসেন মেট্রোপলিটনের তৃণমূল ভবনে। তৃণমূলের অফিসে গিয়ে কী করবেন, সেই কথা যদিও বলেননি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন: সেবাশ্রয় নিয়ে FIR, কোন কোন ধারায় মামলা হল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে?
কুণাল ঘোষ ছাড়াও জয়া দত্ত, উপাসনা চৌধুরীর মতো তৃণমূল নেতা ও নেত্রীরা ছিলেন এখানে। আসেন বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ও। তাঁরা সমস্ত বিষয়টা নিয়ে সেখানেই আলোচনা করেন। কুণাল ঘোষ বলেন, তাঁরা নিজেরা একটু কথা বলে, তারপর নেতৃত্বের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলবেন।
এর মধ্যেই নাম না করে 'ঋতব্রত তৃণমূল'-এর বিরুদ্ধে ব্যাঙ্গাত্মক কিছু কথাও বলেন তিনি। কুণাল ঘোষ বলেন, "একটা ঘটনা ঘটেছে। কারও কারও মনে হয়েছে দিনের আলোয় আসা যায় না। একটু রাতের অন্ধকার বা সন্ধের পর এসে একটুখানি ওই সন্ধের পর এসে যা যা করে, তেমনই কিছু একটা ঘটিয়েছে। তো যেহেতু একটা বিবাদমান পরিস্থিতি রয়েছে, আর আইনের দিকগুলোও তো খতিয়ে দেখতে হবে। আমরা তো কোনও দায়িত্বজ্ঞান হীন আচরণ করতে পারি না। এটা তৃণমূলের পার্টি অফিস। এবার ঘটনাচক্রে যাঁরা এসেছিলেন তাঁরাও তৃণমূলের প্রতীকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতীকেই নির্বাচিত। সমস্যাটা হচ্ছে, এই আচরণে দলের কর্মীরা আহত হচ্ছেন, ক্ষুব্ধ হচ্ছেন।"























