Rath Yatra Weather: সক্রিয় মৌসুমী অক্ষরেখা, রয়েছে ঘূর্ণাবর্তও; রথের দিন ভাসবে উত্তর থেকে দক্ষিণ
Weather Update: বৃহস্পতিবার, রথের দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা দক্ষিণবঙ্গে। বুধবারের তুলনায় ওই দিন বাড়বে বৃষ্টি। বৃষ্টির পরিমাণ ও ব্যাপকতা, দুইই বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস সাত জেলায়।

কলকাতা: গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে সক্রিয় মৌসুমী অক্ষরেখা। রাজস্থানের শ্রী গঙ্গানগর থেকে মৌসুমী অক্ষরেখা বিহারের মুজাফফরপুর এবং বাংলার বালুরঘাটের উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য মণিপুর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের দক্ষিণে অর্থাৎ উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে।
বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতাও। তারপর বৃহস্পতিবার, রথের দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা দক্ষিণবঙ্গে। বুধবারের তুলনায় ওই দিন বাড়বে বৃষ্টি। বৃষ্টির পরিমাণ ও ব্যাপকতা, দুইই বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস সাত জেলায়। জারি থাকবে হলুদ সতর্কতা। হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতে বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। কলকাতাতেও মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। বাকি সব জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা মাঝারি বৃষ্টি হবে, জানিয়েছে হাওয়া অফিস। শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বাড়তে থাকবে বৃষ্টি। জারি থাকবে হলুদ সতর্কতা।
যদিও উত্তরবঙ্গে বুধবার ও বৃহস্পতিবার বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। শুক্রবার থেকে ফের ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। জারি হয়েছ হলুদ সর্তকতা। রবিবারে উত্তরবঙ্গে অতি বৃষ্টির পূর্বাভাস, জারি কমলা সতর্কতা।
আরও পড়ুন: যাত্রী প্রতীক্ষালয় দখল করে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের অভিযোগ, বিক্ষোভ মালদার মোকদমপুরে
উত্তরবঙ্গে ভারী ও অতিভারী বৃষ্টির ফলে পার্বত্য এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে এ ছাড়াও বিভিন্ন নদীর জলস্তর বাড়তে পারে। কোথাও কোথাও বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইতে পারে নদী। নীচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার ও শষ্যের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে, কলকাতায় বুধবার বৃষ্টির সম্ভাবনা কিছুটা কমবে। যদিও, রথের দিন বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। কয়েক দফায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে সপ্তাহের শেষ দিকে। আজ ১৪ জুলাই আলিপুরে আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৭৬ থেকে ৯৮ শতাংশ।























