Suvendu Adhikari PA Death: শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ককে মেরে কোন পথ ধরেছিল আততায়ীরা? ভয়ঙ্কর 'সেই প্ল্যান' প্রকাশ্যে
যে আবাসনের সামনে এই ঘটনা ঘটে সেই শুভম গার্ডেনিয়া আবাসনের সিকিউরিটি জানান আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই আবাসনের সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সবটাই।

অনির্বাণ বিশ্বাস, কলকাতা: প্রথম বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে হত্যা! মধ্যমগ্রামে রাস্তার ওপর পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে! গুলিবিদ্ধ হয়েছেন গাড়ির চালকও। এখনও পর্যন্ত পুলিশের দাবি এই খুন সুপরিকল্পিত ছিল। যে আবাসনের সামনে এই ঘটনা ঘটে সেই শুভম গার্ডেনিয়া আবাসনের সিকিউরিটি জানান আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই আবাসনের সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সবটাই।
সিকিউরিটি গার্ড জানান, ১০টা থেকে ১০.১০টার মধ্যে হঠাৎই গুলি চলার আওয়াজ পান তিনি। তখন সিকিউরিটি ডেস্ক-এ বসে ছিলেন। এমন আওয়াজ শুনেই গেটের সামনে ছুটে যান তিনি। দরজার খুলে দেখতে পান কিছু একটা ঘটছে তাঁর অনতিদূরে। এরপর তড়িঘড়ি তিনি ছুটে এসে আবাসনের দরজা বন্ধ করে দেন। এরপর চাঞ্চল্যকর দাবি করেন সিকিউরিটি। পুলিশের প্রাথমিক দাবি ছিল এই রাস্তা দিয়েই চলে যায় বাইক। কিন্তু ওই সুরক্ষাকর্মীর কথায়, এই রাস্তা দিয়ে দুটো বাইকের কোনও বাইকই যশোর রোডের দিকে যায়নি।
সিকিউরিটির দাবি, বাইক দুটি ঢুকেছে যশোর রোড দিয়েই দোহারিয়ার দিকে। মনে করা হচ্ছে, যশোর রোড না ধরে ভিতরের ঘিঞ্জি এলাকা দিয়েই আততায়ীরা পালানোর পরিকল্পনা নেয়।
শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক খুনের ঘটনায় উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রে দাবি, ঘটনাটি ঘটেছে রাত ১০ থেকে ১০.১৫-র মধ্যে। জানা যাচ্ছে, হামলার সময় গাড়ির সামনের সিটে ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ ও তাঁর গাড়ির চালক। পিছনের সিটে ছিলেন মিন্টু নামে একজন। যিনি চন্দ্রনাথ রথের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, ঘটনায় মোট ৩জন আততায়ী ছিল। একজন গাড়ি চালিয়ে এসেছিল। অন্য ২ জন ছিল মোটরবাইকে।
আরও পড়ুন, 'আসানসোলের বাইক, নকল নম্বর প্লেট' ! কীভাবে খুন ? কী কী তথ্য উঠে আসছে ?
সূত্রের দাবি, চন্দ্রনাথ রথ যে গাড়িতে ছিল, সেটির সামনে আড়াআড়িভাবে রাস্তা আটকে দাঁড়়িয়ে যায় চার চাকা গাড়িটি। ফলে গাড়ি থামাতে হয় চন্দ্রনাথ রথের গাড়ি চালককে। এরপরই গাড়ির ২ দিক থেকে আসে ২টি মোটরবাইক। শুরু হয় গুলি চালানো। তদন্তকারীদের দাবি, চন্দ্রনাথের মৃত্যু নিশ্চিত করতে জানলার কাচে আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করা হয়। তাতে যে গর্ত তৈরি হয়, সেখান থেকে একের পর এক গুলি করতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। মোট তিনটি গুলি লাগে চন্দ্রনাথের। অন্য়দিক থেকে গুলিতে আহত হন গাড়ির চালক।
























