Tangra Murder Update :'মরতে চেয়েও মরা হল না', এবার কী পরিণতি হবে দে-পরিবারের ২ ভাইয়ের? কী ভবিষ্যৎ নাবালকের?
পুলিশ সূত্রে দাবি, ট্য়াংরাকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদে এমনটাই দাবি করেছেন দুই ভাই। পুলিশ সূত্রে খবর, ২ ভাই সুস্থ হলেই তাঁদের গ্রেফতার করা হতে পারে।

সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, কলকাতা : ট্যাংরার হাড়হিম করা ঘটনায় রহস্য কেটেও কাটেনি। রয়ে গিয়েছে বহু প্রশ্ন। গত ১৭ তারিখ, অর্থাৎ মঙ্গলবার, ওষুধ মেশানো পায়েস খেয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয় গোটা পরিবার। কিন্তু, তাতে বাড়ির ছোট মেয়ে, প্রিয়ম্বদা ছাড়া আর কারোরই মৃত্য়ু হয়নি। তারপরই ২ বউ ও কিশোরকে খুনের সিদ্ধান্ত নেন দুই ভাই। কিন্তু খুনের মুহূর্তে জেগে যায় নাবালক। তারপরই তিনজন বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন। রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটিয়ে আত্মহত্য়ার পরিকল্পনা নেন। পুলিশ সূত্রে দাবি, ট্য়াংরাকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদে এমনটাই দাবি করেছেন দুই ভাই। পুলিশ সূত্রে খবর, ২ ভাই সুস্থ হলেই তাঁদের গ্রেফতার করা হতে পারে।
এদিকে সূত্রের খবর, শনিবারই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন বড় ভাই প্রণয় দে ও তাঁর নাবালক ছেলে। পুলিশ সূত্রে খবর, সম্পূর্ণ সুস্থ নন বলে প্রণয়কে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। ছোট ভাই প্রসূন এখনও রুবি জেনারেল হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছেন।এখন প্রশ্ন, এদের ভবিষ্যৎ কী হবে ? ৩ মহিলার খুনি কে? জানতে আজ ৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে পুলিশ। নাবালক ছেলের ভবিষ্যৎই বা কী হবে ? তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে। বাবাও আহত। অপরাধী প্রমাণিত হতে , তাঁর শাস্তি হতে পারে। তাহলে নাবালকের দেখভালই বা করবে কে ? হাসপাতাল সূত্রে খবর, প্রথম দিন পারিবারিক বন্ধু হিসেবে একজন আইনজীবী যোগাযোগ করেছিলেন। তারপর থেকে তিনি এবং আর কেউ যোগাযোগ করেননি।
সূত্রের খবর, পুলিশ জানার চেষ্টা করছে বাড়ির ভিতরে CC ক্যামেরার প্লাগ কে খুলেছিল? কেন খোলা হয়েছিল? জানতে চাওয়া হবে। শনিবার ট্যাংরার অতুল শূর রোডে প্রণয় ও প্রসূন দে-র বাড়িতে যায় । ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ও ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের দল। ময়নাতদন্তে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে ঘটনাস্থলের বেশ কিছু অসঙ্গতি মিলেছে। কী ধরনের বিষ ব্যবহার করা হয়েছিল, তাও পরীক্ষা করে দেখা হবে।
পুলিশ সূত্রে দাবি, দুই ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা কারখানার জন্য় যে জায়গা ভাড়া নিয়েছিলেন, সেই ভাড়ার টাকাটুকুও কয়েক মাস ধরে দিতে পারছিলেন না। আহতদের বয়ান অনুযায়ী, যে সুদ গুনতে হচ্ছিল, তা রোজগারের থেকেও বেশি।
পুলিশ সূত্রে খবর, ট্যাংরার ২১/C অতুল শূর রোডের এই চারতলা বিশাল বাড়িটি বন্ধকও রেখেছিলেন ২ ভাই। এছাড়া, ৬টি ব্যাঙ্ক ও কয়েকটি প্রাইভেট এজেন্সি থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। ব্যবসা ছাড়া, পার্সোনাল লোনও ছিল দুই ভাই প্রণয় ও প্রসূনের। অর্থাৎ, ঋণে ঋণে জর্জরিত হয়ে গেছিল পরিবার। কী হবে এঁদের ভবিষ্যৎ ? উত্তর দেবে সময়।
আরও পড়ুন :
বাড়ি বন্ধক দিয়েও লাভ হয়নি ! ঠিক কত টাকার দেনায় ডুবে 'আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত' দে-পরিবারের?
Before You Go
TMC News: তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার নাদনঘাটের তৃণমূল নেতাকে ঘিরে বিক্ষোভ, ছোড়া হল ডিমও






















