Ambulance Fire : দাউদাউ করে জ্বলে গেল অ্যাম্বুলেন্স! মুহূর্তে ঝলসে গেল ১ দিনের শিশু, বাবা, ডাক্তার, নার্স
Gujarat Ambulance Fire : সদ্যোজাত শিশু জীবন্ত পুড়ে যায় আগুনে। ঝলসে মারা যায় তখুনি। তাদের গাড়ি থেকে বের হওয়ার সুযোগ মেলেনি। কার্যত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এই ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী থাকতে হয় প্রত্যক্ষদর্শীদের।

মর্মান্তিক । ভয়ঙ্কর । গা শিউরে ওঠা ঘটমা। গুজরাতের আরভালি জেলায় ঘটে গেল এক ভয়ঙ্কর ঘটনা। সোমবার গভীর রাতে মোদাসার রানাসায়েদ মোড়ের কাছে একটি চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। মুহূর্ত খানেক সুযোগ দেয়নি গাড়িটি। এক পলকে আগুন গ্রাস করে নেয় গোটা গাড়িকে। আকস্মিক ও ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা ডাক্তার, নার্স, শিশুর বাবা এবং সদ্যোজাত শিশু জীবন্ত পুড়ে যায় আগুনে। ঝলসে মারা যায় তখুনি। তাদের গাড়ি থেকে বের হওয়ার সুযোগ মেলেনি। কার্যত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এই ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী থাকতে হয় প্রত্যক্ষদর্শীদের।
প্রসবের এক দিনের মাথায় সদ্যোজাত শিশুটিকে নিয়ে আহমেদাবাদের অরেঞ্জ হাসপাতাল থেকে যাচ্ছিল অ্যাম্বুলেন্সটি। চিকিৎসার জন্য আহমেদাবাদে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল শিশুটিকে । অ্যাম্বুলেন্সটি মোদাসা দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ গাড়িতে আগুন লেগে যায়। চালক এবং সামনে বসা শিশুর এক আত্মীয়কে কোনোমতে বাইরে বের করা হয়, কিন্তু পেছনের অংশ আগুনের গ্রাসে চলে যায় মুহূর্তে। বাকিরা বের হতে পারেনি।
কঠোর চেষ্টার পর দমকল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে
জানা গিয়েছে, স্থানীয় লোকেরা দ্রুত দুর্ঘটনার খবর মোদাসা পৌরসভার দমকল বিভাগে জানায়। দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর চেষ্টা করে। কিন্তু ভেতরে থাকা মানুষগুলোকে রক্ষা করা যায়নি। অনেক চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। সেই সময়ই, পুলিশ এসে পৌঁছায় । আহত দুই ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। এই ভয়াবহ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজও সামনে এসেছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, অ্যাম্বুলেন্সটি একটি পেট্রোল পাম্পের কাছে জ্বলছে।
আগুনে ঝলসে নার্স ও ডাক্তারের মৃত্যু
দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয়ও জানা গেছে। নার্স ভাবিকাবেন রমণভাই মানাত (বয়স ২২ বছর) এবং ডাক্তার রাজ শান্তিলাল রেন্টিয়া (বয়স ৩৫ বছর) হিম্মতনগরের চিথোরা গ্রামের বাসিন্দা। সদ্যোজাত শিশুটিও আগুন থেকে বাঁচতে পারেনি। মারা গিয়েছেন শিশুর বাবাও । দমকলের প্রাথমিক অনুমান, অ্যাম্বুলেন্সে প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা শর্ট সার্কিটের জন্যই আগুন লেগে যায়। তবে তদন্তের পরেই কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এই ঘটনায় কার্যত শোকের ছায়া নেমেছে। ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার। প্রশ্ন উঠছে, অ্যাম্বুলেন্সের নিরাপত্তা নিয়ে।























