Indonesia Earthquake : ভয়াবহ ভূমিকম্প ইন্দোনেশিয়ায়, ধসে গেল বাড়িঘর, বিরাট ধ্বংসলীলা
ভৌগলিকভাবে একেবারে রিং অফ ফায়ারের উপর অবস্থিত এই ইন্দোনেশিয়া । তাই ভূমিকম্পে বারবার কেঁপে ওঠে মাটি। আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনাও ঘটে প্রায়শই।

মাঝে মাত্র চারটে মাস। ফের ভয়ঙ্কর ভাবে দুলে উঠল ইন্দোনেশিয়ার মাটি। ভয়াবহ ভূমিকম্প ইন্দোনেশিয়ায়। ১৭,০০০-এরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত বিশাল দ্বীপপুঞ্জের দেশ ইন্দোনেশিয়া । ভৌগলিকভাবে একেবারে রিং অফ ফায়ারের উপর অবস্থিত এই দেশ। তাই ভূমিকম্পে বারবার কেঁপে ওঠে মাটি। আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনাও ঘটে প্রায়শই।
এবার ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৭.৭। শনিবার ইন্দোনেশিয়ায় ভেঙে পড়েছে একাধিক বাড়ি। কার্যত মাটির দুলুনিতে তাসের ঘরের মতো ধসেছে বাড়িঘর। জারি হয়েছে সুনামি সতর্কতা । এখনও পর্যন্ত ২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। একের পর এক বহুতল ধসে পড়ার ছবি সামনে এসেছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা অনুসারে, ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় সময় তখন ভোর ৫টা ৫৮ মিনিট। ফ্লোরেসের ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের এন্ডে শহর থেকে ৬৮ কিলোমিটার (৪২ মাইল) উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে। প্রাথমিক কম্পনের পর বেশ কয়েকটি আফটারশক হয়। এর ফলে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে প্রচুর। ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) অনুসারে, ভূমিকম্পের পর ৫.৯, ৫.৬ এবং ৬.১ মাত্রার তিনটি বড় ধরনের আফটারশক হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার সরকার এখনও ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে কোনও বিবৃতি দেয়নি।
তীব্র ভূমিকম্প ও একের পর এক আফটারশকে ত্রস্ত ইন্দোনেশিয়া। যে কোনও মুহূর্তে সুনামির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সতর্ক প্রশাসন। প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অফ ফায়ার’-এর উপর অবস্থিত হওয়ায় দেশটি এমনিই ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে। বাড়তি আশঙ্কা সুনামি নিয়ে। ইতিমধ্যেই হাই অ্যালার্ট জারি করেছে, ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা । ভূমিকম্পের ফলে সুনামি ঢেউ সৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় অঞ্চনের বাসিন্দাদের বিশেষত সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন : বজ্র ও বন্দেমাতরম, স্বাধীনতার বহু বছর আগেই ভারতের জাতীয় পতাকার নকশা ভগিনী নিবেদিতার হাতে
কিছুদিন আগেই ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কলম্বিয়া। গত সোমবারের কলম্বিয়া কেঁপে ওঠে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে । তাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮৭ জনে । আহতের সংখ্যা ৩,৯৭৫ জন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১ হাজার ৫৭৫টি বাড়ি ও ছয়টি বিমানবন্দর। ভূমিকম্পটির মূল উৎস ছিল রাজধানী বোগোটা থেকে দূরে চোকো অঞ্চলের 'সান হোসে দেল পালমার'-এ। ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র ছিল মাটি থেকে প্রায় ৯৬ কিলোমিটার গভীরে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করেছে কলম্বিয়া সরকার।
।























