Unnao Case : উন্নাও ধর্ষণে জামিন পেয়ে হাসি মুখে কুলদীপ,নির্যাতিতা ও তাঁর মা-কে প্রতিবাদেও বসতে দিল না পুলিশ
জামিন পেয়ে হাসতে হাসতে বেরোলেন উন্নাও ধর্ষণ মামলার অভিযুক্ত কুলদীপ, প্রতিবাদরত নির্যাতিতা ও মা-কে টেনে তুলে দিল পুলিশ।

উন্নাও ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে সারা দেশে তোলপাড় হয়েছিল। অভিযুক্তদেক বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল লক্ষ লক্ষ মানুষ। ১৫ লক্ষ টাকার বন্ডের বিনিময়ে অভিযুক্ত সেঙ্গারকে জামিনের নির্দেশ দিয়ে দিয়েছে আদালত। জামিনের জন্য বেশ কিছু শর্ত আরোপ করেছিল দিল্লি উচ্চ আদালত। কিন্তু অভিযুক্তর জামিনের বিরুদ্ধে এদিন ইন্ডিয়া গেটে প্রতিবাদে বসেন নির্যাতিতা ও তার মা। তাঁদের সঙ্গেই উল্টে পুলিশ যে ব্যবহার করল, তা এখন শিরোনামে। প্রতিবাদরত মা ও মে কে কার্যত টেনে সরিয়ে দিল পুলিশ। সেই ভিডিও এখন ভাইরাল।
দিল্লি হাইকোর্টের আদেশের বিরোধিতায় ইন্ডিয়া গেটের কাছে বিক্ষোভ শুরু করেন উন্নাওয়ের নির্যাতিতা, তাঁর মা এবং নারী অধিকার কর্মীরা। বিক্ষোভ চলাকালীন দিল্লি পুলিশ নির্যাতিতা, তাঁর মা এবং প্রতিবাদী মহিলাকে বিক্ষোভ স্থল থেকে সরিয়ে দেয়।
"বাহ্ রে দেশের আইন"
নারী অধিকার কর্মী যোগিতা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ এই ভিডিও পোস্ট করে আদালতের রায়ের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, "বাহ্ রে দেশের আইন, এটাই দেশের ন্যায়। কীভাবে বাঁচাবেন দেশের মেয়েদের, কীভাবে ন্যায় পাবেন! এই মেয়েটি উন্নাও গণধর্ষণের শিকার। পাশবিক অত্যাচারের পর বাবার মৃত্যু হয় পুলিশি হেফাজতে, গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় কাকিমা ও আইনজীবীর, ১০০টির বেশি সেলাই পড়ে, একাধিক হাড় ভেঙে যায়, ৬ মাস ভেন্টিলেটরে থাকার পর জীবন বাঁচে তাঁর এবং এখন...। এটা কেমন ন্যায়??? নির্যাতিতা ন্যায় চেয়ে কাঁদছে - বলছে আত্মহত্যার ছাড়া আর কোনও পথ নেই।"
#WATCH | Delhi: Police remove 2017 Unnao rape case victim, her mother, and women activist Yogita Bhayana from the protest site near India Gate.
— ANI (@ANI) December 23, 2025
They were holding a protest against the Delhi High Court's order suspending the sentence of 2017 Unnao rape case accused, Kuldeep… https://t.co/RTtewzObCz pic.twitter.com/Stuv4unBor
নির্যাতিতার মায়ের দাবি এবং ন্যায় নিয়ে প্রশ্ন
অভিযুক্ত নির্যাতিতার পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে আসতে পারবেন না এবং তাঁকে দিল্লিতেই থাকতে হবে বলে শর্ত দিয়েছে আদালত। নির্যাতিতার মা-ও আদালতের রায়ের উপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন যে অভিযুক্ত বাড়িতে থাকুক বা ৫০০ কিলোমিটার দূরে, তাতে কিছু যায় আসে না। যে অপরাধ করেছে, তাকে শাস্তি পেতে হবে। তিনি বলেন, আপিল করার অধিকার দুই পক্ষেরই আছে, কিন্তু আদালতের নির্যাতিতা এবং তাঁর সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি বিবেচনা করে নিরপেক্ষ শুনানি করা উচিত। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য , এমন গুরুতর অপরাধে অভিযুক্তকে কোনওভাবেই জামিন দেওয়া উচিত নয়।






















