Donald Trump : 'বিশাল নৌবহর ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে', নতুন করে হুঙ্কার ট্রাম্পের
Iran Unrest : যদিও তিনি এই আশাও প্রকাশ করেছেন যে, দীর্ঘদিন ধরে ইরানে অশান্তি চললেও, সামরিক পদক্ষেপ এড়ানো যাবে।

ওয়াশিংটন ডিসি : গ্রিনল্যান্ড নিয়ে চাপানউতোর তুঙ্গে। গ্রিনল্যন্ড নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোভাবে অসন্তুষ্ট ইওরোপের সঙ্গী রাষ্ট্রগুলি। পাল্টা তাদের পক্ষ থেকে চাপ বাড়াচ্ছে EU পার্লামেন্ট। এই আবহে ইরান নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নতুন বিবৃতি শোরগোল ফেলে দিয়েছে। ইরানের দিকে "বিশাল বাহিনী" অগ্রসর হচ্ছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। যদিও তিনি এই আশাও প্রকাশ করেছেন যে, দীর্ঘদিন ধরে ইরানে অশান্তি চললেও, সামরিক পদক্ষেপ এড়ানো যাবে।
সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, 'ওই অঞ্চলে বিশাল নৌবহর মোতায়েন করেছিল আমেরিকা।' কিন্তু, তার ব্যবহারের প্রয়োজন পড়বে না বলে তিনি আশাবাদী। ট্রাম্পের কথায়, "আমাদের একটা বড় নৌবহর ওই দিকে যাচ্ছে, আমরা দেখব কী হয়। আমাদের একটা বড় বাহিনী ইরানের দিকে যাচ্ছে। আমি কিছু ঘটতে দেখতে চাই না, কিন্তু আমরা তাদের খুব কাছ থেকে দেখছি।" ইরানে সাম্প্রতিক অশান্তির জেরে বহু বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। যা নিয়ে ইরানকে বারবার সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। যদিও, বিগত কয়েকদিন তাঁর সুর একটু নরম হয়েছে। কারণ, বিক্ষোভ ধীরে ধীরে কমে আসছে।
ট্রাম্পের দাবি, ওয়াশিংটনের ক্রমাগত চাপের মুখে শ'য়ে শ'য়ে বিক্ষোভকারীকে হত্যার পরিকল্পনা বাতিল করেছে ইরান প্রশাসন। তিনি বলেছেন, "বৃহস্পতিবার আমি ৮৩৭ জনের ফাঁসি থামিয়েছি। ওরা এতক্ষণে মরে যেত। প্রত্যেককে ঝুলিয়ে দেওয়া হত। যাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে তাদের অধিকাংশই তরুণ।" গুরুতর পরিণতির হুমকি পেয়ে পিছু হটেছে তেহরান, এমনই দাবি করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর কথায়, "আমি বললাম, যদি আপনারা এদের ফাঁসি দেন, তাহলে আপনাদের আগের চেয়েও বেশি আঘাত করব। এতে আপনাদের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে আমরা যা করেছি তেমনই বাদামের মতো দেখাবে।"
এই মুহূর্তে সরকার বিরোধী আন্দোলনে উত্তপ্ত ইরান। অর্থনৈতিক সঙ্কট, মূল্যবৃদ্ধি, জীবনযাপনের খরচ বৃদ্ধি নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। সরাসরি আয়াতোল্লার মৃত্যু কামনা করে স্লোগান তুলছেন তাঁরা। রিপোর্ট বলছে, ইরানে এবারের আন্দোলনে এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ৫০০০ মানুষ মারা গিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের উপর সরকার নিদারুণ অত্যাচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ।
যদিও এই পরিস্থিতির জন্য আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলকে দায়ী করছে ইরান। তাদের দাবি, বাইরে থেকে শত্রুরা ইন্ধন জোগাচ্ছে। আন্দোলনকারীদের মধ্যে অন্য উদ্দেশ্য নিয়ে অনেকে ঢুকে পড়েছেন বলেও দাবি তাদের। মসজিদ, সরকারি ভবন ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। কিন্তু হাজার হাজার মানুষ যে মারা গিয়েছেন, তা মেনে নিয়েছেন স্বয়ং আয়াতোল্লাও।
Before You Go
Suvendu Adhikari : শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তীতে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূলকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর






















