এক্সপ্লোর
বেকারির ফলে অসন্তোষই মোদী, ট্রাম্পের ক্ষমতায় আসার কারণ, আমেরিকায় রাহুল

প্রিন্সটাউন (আমেরিকা): কর্মসংস্থানের প্রশ্নে নরেন্দ্র মোদীকে বিঁধলেন রাহুল গাঁধী। যথেষ্ট সংখ্যায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে না পারার জন্যই ২০১৪-র ভোটে তাঁর দল হেরেছিল বলে স্বীকার করেন তিনি। কাজ না পাওয়ায় তৈরি হওয়া ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ থেকেই মানুষ নরেন্দ্র মোদী, ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো নেতাদের ভোট দিচ্ছেন বলে অভিমত জানিয়েছেন তিনি। প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সঙ্গে আলাপচারিতায় কংগ্রেস সহ সভাপতির অভিমত, কর্মসংস্থানই দেশ গঠনে ভারতীয়দের সামিল করার, ক্ষমতা দেওয়ার সার্বিক হাতিয়ার। সেইসঙ্গে তিনি বলেন, আমার মতে, মোদীর উত্থান, ট্রাম্পের উঠে আসার মূলে রয়েছে যথাক্রমে ভারত ও আমেরিকায় চাকরির বিষয়টি। আমাদের জনসংখ্যার একটা বড় অংশের কাজ-কারবার নেই, কোনও ভবিষ্যত নেই। তারা কষ্টে রয়েছে। সেজন্যই তারা এ ধরনের নেতাদের সমর্থন করে। বেকারিকে সমস্যা বলে কেউই মানতে চান না, এটাও আরেকটা সমস্যা, বলেন রাহুল। এ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ট্রাম্পের কথা বলতে পারব না। কিন্তু নিঃসন্দেহে আমাদের প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থানের জন্য যথেষ্ট করছেন না। মার্কিন সফরে বিশেষজ্ঞ, বণিক সভার লোকজন ও কংগ্রেস সদস্যদের সঙ্গে আলোচনায় বারবার বেকারির প্রসঙ্গ তুলেছেন রাহুল। বলেছেন, বর্তমানে যথেষ্ট কাজ তৈরি হচ্ছে না। প্রতিদিন ৩০ হাজার করে যুবক কাজের বাজারে ঢুকছে। কিন্তু সরকার দৈনিক মাত্র ৫০০টি চাকরির ব্যবস্থা করছে। এর মধ্যে কিন্তু আগেই তৈরি হওয়া বিশাল বেকার যুববাহিনী ধরা নেই। চিনের সঙ্গে পাল্লা দিতে হলে ভারতের নিজেকে বদলাতে হবে, আর সেজন্যই দেশের লোককে কাজ দিতে হবে বলে জানান রাহুল। বলেন, দিনে ৩০ হাজার কাজ সৃষ্টি করতে না পারায় যে জনতা আমাদের ওপর খেপে উঠেছিল, তারা কিন্তু এবার মোদীর ওপরও রেগে যাবে। সমস্যার সমাধান করাই মূল বিষয়। মোদী সম্পর্কে আমার আপত্তির কারণ হল, উনি বিষয় থেকে নজর ঘুরিয়ে দিচ্ছেন, সমস্যা যে আছে, এটা মানছেন না। ফলে ভারতে এখন অসন্তোষ দানা বাঁধছে। আমরা টের পাচ্ছি। গণতান্ত্রিক পরিবেশে কর্মসংস্থান সমস্যার সমাধানই চ্যালেঞ্জ।
আরও পড়ুন
সেরা শিরোনাম
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক























