Science News: আক্রমণ করতে নয়, সাহায্য় চাইতে পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে এলিয়েন সভ্যতা?
Alien Encounter: কল্পবিজ্ঞানের চেয়ে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা হতে পারে বলে মত ব্রিটেনের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ডেভিড কিপিংয়ের।

নয়াদিল্লি: পৃথিবীবাসীর চেয়ে অনেক বেশি উন্নত। শক্তি, প্রযুক্তি সবদিক থেকেই এগিয়ে। তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের অর্থ হয় ভয়ঙ্কর যুদ্ধ, নয়ত বা নতুন করে বেঁচে ওঠা। ভিন্গ্রহী বা এলিয়েনদের কথা উঠলে চোখের সামনে এমনই দৃশ্য ভেসে ওঠে আমাদের। কল্পবিজ্ঞানে বই হোক বা হলিউডের সিনেমা, সবেতেই পৃথিবীবাসীর থেকে এগিয়ে রাখা হয়েছে এলিয়েনদের। (Alien Encounter)
কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা হতে পারে বলে মত ব্রিটেনের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ডেভিড কিপিংয়ের।পৃথিবীবাসীর চেয়ে এলিয়েনদের শক্তিশালী বলে মানতে কোনও আপত্তি নেই ডেভিডের। কিন্তু বহির্বিশ্বের প্রাণীদের সঙ্গে যদি সাক্ষাৎ হয় পৃথিবীবাসীর, তাদের সঙ্গে যদি সংঘর্ষও বাঁধে, সেক্ষেত্রে কী পৃথিবীবাসীর পরাজয় দেখছেন না তিনি। (Science News)
এ প্রসঙ্গে নিজের মতামতও তুলে ধরেছেন ডেভিড। প্রথমেই একটি প্রশ্ন উস্কে দেন তিনি, যা হল, পৃথিবীবাসীর সঙ্গে যোগাযোগের গরজ কেন দেখাবে এলিয়েনরা? এর উত্তরও দিয়েছেন ডেভিড। তাঁর সাফ জবাব, বিপদে না পড়লে অন্য উপায় খুঁজতে বেরোয় না কেউ। ডেভিডের যুক্তি, রাতের আকাশে যদি ২৫০০ নক্ষত্র দেখতে পাই আমরা, তার এক তৃতীয়াংশও দানবাকৃতির নয়। কিন্তু সেগুলির একটিও নিজে দানবাকৃতির নক্ষত্র নয়। রাতের আকাশে খালিচোখে যে নক্ষত্রগুলিকে যেগুলিকে দেখতে পাই আমরা, তাদের অবজার্ভেশন সিগনাল বেশ শক্তিশালী।
কিপলিং মহাজাগতিক বিস্ফোরণের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, আকাশগঙ্গা ছায়াপথে সমান অন্য ছায়াপথগুলিতে প্রতি শতকে হয়ত এমন দু’টি বিস্ফোরণই ঘটে। কিন্তু বছরভর বিজ্ঞানীরা এমন বহু বিস্ফোরণ দেখতে পান। আসলে ওই সব নক্ষত্র জীবনসায়াহ্নে পৌঁছে গিয়েছে, ধ্বংসের কিনারায় দাঁড়িয়ে আছে।
এলিয়েনদের অস্তিত্ব কী করে জানতে পারবেন পৃথিবীবাসী, তা নিয়েও নিজের তত্ত্ব তুলে ধরেছেন ডেভিড। তিনি জানিয়েছেন, মহাজাগতিক বিস্ফোরণের পরিবর্তে পরমাণু যুদ্ধের সমতুল্য ঘটনা ঘটতে পারে কোনও গ্রহে। তাই পৃথিবীবাসীর সঙ্গে এলিয়েনদের সাক্ষাৎ বেশ ‘Loud’ই হবে বলে মত ডেভিডের। তবে মহাজগতের সব সভ্য়তাই ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়ে পৃথিবীবাসীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইবে, তাও বলছেন না তিনি। মহাজাগতিক প্রযুক্তিতে জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণও ধরা পড়তে পারে। ১৯৭৭ সালে যে ‘Wow!’ সিগনাল এসে পৌঁছেছিল পৃথিবীতে, তা এলিয়েন সভ্যতা থেকে আসা সাহায্য়ের আর্তি হতে পারে বলেও মত ডেভিডের। তাই এলিয়েন মানেই তারা পৃথিবী আক্রমণ করতে আসবে বা পৃথিবীবাসীকে উদ্বুদ্ধ করতে আসবে, এমন নয়।






















