IPL Final: ব্য়াট হাতে একাই লড়লেন সুন্দর, রশিকদের অনবদ্য় বোলিংয়ে অল্প রানেই আটকে গেল গুজরাত
Rasikh Salam Dar: দলে অভিজ্ঞ ভুবনেশ্বর কুমার, জশ হ্যাজেলউড থাকলেও, তাঁদের ছাপিয়ে গিয়ে সর্বাধিক তিনটি উইকেট নেন রশিক সালাম দার।

আমদাবাদ: আইপিএল ফাইনালে (IPL Final) টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আরসিবি অধিনায়ক রজত পাতিদার। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে যথার্থ প্রমাণ করে গুজরাত টাইটান্সকে অল্প রানের মধ্যেই আটকে রাখল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। টাইটান্সের হয়ে ব্যাট হাতে একাই কুম্ভ হয়ে লড়লেন ওয়াশিংটন সুন্দর (Washington Sundar), অর্ধশতরানও হাঁকালেন তিনি। তবে বল হাত আরসিবির হয়ে দলের ফাস্ট বোলার ত্রয়ী অনবদ্য বোলিং করে টাইটান্সদের মাত্র ১৫৫ রানেই বেঁধে রাখল। দলে অভিজ্ঞ ভুবনেশ্বর কুমার, জশ হ্যাজেলউড থাকলেও, তাঁদের ছাপিয়ে গিয়ে সর্বাধিক তিনটি উইকেট নেন রশিক সালাম দার (Rasikh Salam Dar)।
গুজরাত টাইটান্সের সবথেকে বড় ভরসা দলের দুই ওপেনার সাই সুদর্শন ও শুভমন গিল। এই প্রথম তাঁরা কোনও দলের হয়ে এক মরশুমে দুই ব্যাটার হিসাবে ৭০০-র অধিক রান করেছেন। তবে এদিন দুইজনের কারুরই ব্যাট চলেনি। পরপর ওভারে ভুবনেশ্বর কুমার ও জশ হ্যাজেলউডের বলে সাই ও শুভমন যথাক্রমে ১২ ও ১০ রানে সাজঘরে ফেরেন। এখানেই শুরুতে ব্যাকফুটে চলে যায় টাইটান্সরা।
নিশান্ত সিন্ধু ও জস বাটলার ইনিংস সামলানোর চেষ্টা করলেও, কাউকেই এদিন ছন্দে দেখায়নি। ক্রুণাল পাণ্ড্যর স্পিনজালে বাটলাররা বারংবার আটকে যাচ্ছিলেন, রানই হচ্ছিল না। শেষমেশ ক্রুণালের বলেই ১০০-র কম স্ট্রাইক রেট নিয়ে করা ১৯ রানের বাটলারের ইনিংস থামে। নিশান্ত সিন্ধুকে ২০ রানে আউট করেন রশিক সালাম। আর্শাদ খানকে পিঞ্চ হিটার হিসাবে আগে পাঠানো হয় এবং তিনি শুরুটা ভাল করেনও বটে, তবে তাঁকে ১৫ রানে ফেরান হ্যাজেলউড।
এমন পরিস্থিতিতে রান কার্যত আসছিলই না, প্রবল চাপে ছিল গুজরাত টাইটান্স। তবে এর মাঝেও অপরপ্রান্ত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ৩৭ বলে তিনি এক লড়াকু অর্ধশতরান পূরণ করেন। তবে দুর্ভাগ্যবশত কেউই সুন্দরকে অপরপ্রান্ত থেকে সাহায্য করতে পারেননি, পার্টনারশিপ গড়তে পারেননি। জেসন হোল্ডার, রশিদ খান, রাহুল তেওটিয়ারা কার্যত আসেন আর যান। তবে সুন্দর লড়াই চালিয়ে যান। তাঁর দৌলতেই মূলত কোনওক্রমে টাইটান্স ১৫০ রানের গণ্ডি পার করে।
আরও পড়ুন:- কোহলির সামনে নাগাড়ে দ্বিতীয় খেতাব জয়ের হাতছানি, তবে আইপিএল ফাইনালে বিরাটের রেকর্ড কেমন?
আপাত দৃষ্টিতে এই রান এই মাঠে খুব বেশি নয়, তবে টাইটান্সের বিশ্বমানের বোলিং আক্রমণ এবং চ্যালেঞ্জিং পিচে কঠিন চ্যালেঞ্জকে জয় করে খেতাব জয়ের আশা বুনছে টাইটান্স সমর্থকরা।




















