TMC News:সংশোধনী বিল পেশ নিয়ে ধুন্ধুমার,এবার ২কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করল তৃণমূল
ABP Ananda Live: সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ নিয়ে বুধবার ধুন্ধুমার বাধল সংসদে। আর তার মধ্য়ে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করল তৃণমূল। আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগের অভিযোগ, বিজেপি সাংসদ কিরেণ রিজিজু এবং রভনীত সিং বিট্টু তাঁকে ধাক্কা দেন। পাল্টা বিজেপি সাংসদ রভনীত সিং বিট্টুর দাবি, কাগজের ভিতর পাথর ও কাঁকর নিয়ে এসেছিল। তৃণমূলের মধ্য়ে দুটো গ্রুপ রয়েছে। মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে খুশি করতে, নম্বর বাড়াতে এই দুটো গ্রুপের মধ্য়ে প্রতিযোগিতা চলছিল কে বেশি আওয়াজ করবে। অমিত শাহের পেশ করা বিলকে 'ব্ল্যাক ডে ব্ল্যাক বিল' বলে দাবি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, একেবারে হিটলারের মতো এই বিলের মাধ্যমে গণতন্ত্রে আঘাত হানতে চাইছে কেন্দ্র।এক্স হ্য়ান্ডেলে তিনি লিখেছেন, অনির্দিষ্ট ক্ষমতা তুলে দেওয়া হচ্ছে ED, CBI-এর হাতে, যাদের সুপ্রিম কোর্ট 'খাঁচাবন্দি তোতা' বলেছিল। সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকেই ধ্বংস করে প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতেই যাবতীয় ক্ষমতা তুলে দেওয়া হচ্ছে। অন্য়দিকে সুকান্ত মজুমদার বলছেন, তৃণমূল যে হারে দুর্নীতি করেছে, ওই পরিমাণ দুর্নীতির জন্য় তো তৃণমূলের সব নেতাদেরই জেলের ভিতরে থাকার কথা। জেলের ভিতরেই মন্ত্রিসভা বসবে, এরকম একটা পরিকল্পনা ছিল বলে আমার মনে হয়।তাঁর দাবি, একেবারে হিটলারের মতো এই বিলের মাধ্যমে গণতন্ত্রে আঘাত হানতে চাইছে কেন্দ্র।
মিড ডে মিলে দুর্নীতির অভিযোগ, বাঁকুড়ার স্কুলে তুলকালাম
বাস্তবে যত পড়ুয়া মিড ডে মিল খায়, তার চেয়ে সংখ্যা অনেক বেশি দেখিয়ে মিড ডে মিল খাতে বরাদ্দ সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগ। তা নিয়ে তুলকালাম বাধল বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটির লছমনপুর পরমহংস যোগানন্দ বিদ্যাপীঠে। অভিভাবকদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে মিড ডে মিল খাতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন প্রধান শিক্ষক। যদিও টাকা তছরুপের অভিযোগ মানতে চাননি তিনি।
মিড ডে মিল খাতে বরাদ্দ সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠল বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের লছমনপুর পরমহংস যোগানন্দ বিদ্যাপীঠে। বেনিয়মের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। বিক্ষোভকারী অভিভাবক অভিজিৎ মাজি বলেন, "এখানে মিড ডে মিলে দুর্নীতি হচ্ছে। প্রধান শিক্ষক মহাশয়কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, খাতা দেখতে চেয়েছিলাম। তখন উনি যে হিসাব আমাদের দেখিয়েছিলেন, তাতে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার মতো দুর্নীতির হিসেব পেয়েছি।'' আরেক বিক্ষোভকারী অভিভাবক প্রশান্ত লায়েক বলেন, "স্কুলে মিড ডে মিল খাওয়া সটুডেন্ট হচ্ছে ৩০০। সরকারকে হাজিরা দেখিয়েছেন ২৮০-২৯০, ২৫০। কিনতু আসলে খাচ্ছে ৫০, ৬০, ৭০, ৮০, ৯০, এরকম করে খেয়েছে। তার যে একটা অ্যামাউন্ট সরকার থেকে নিয়েছেন, সেই টাকাটা উনি অস্বীকার করছেন।''

















