(Source: ECI/ABP News)
Adhir Chowdhury: 'এত টাকা আসছে কী করে?' নবজোয়ার কর্মসূচির খরচ নিয়ে প্রশ্ন অধীরের
Abhishek Banerjee: সোমবারই এই কর্মসূচির খরচের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায়, শিবাশিস মৌলিক ও আশাবুল হোসেন, কলকাতা: লক্ষ্য পঞ্চায়েত ভোট। সেই কারণেই সম্প্রতি একটি নতুন কর্মসূচি শুরু করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম তৃণমূলে নবজোয়ার। এই কর্মসূচির জন্য সম্প্রতি রাজ্য সফর শুরু করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কয়েকদিন আগেই এই কর্মসূচির খরচের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার প্রায় একই সুরে প্রশ্ন তুললেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। নবজোয়ার কর্মসূচিকে নবভাটা বলে কটাক্ষ কংগ্রেস সাংসদের।
পঞ্চায়েত ভোটের আগে জনসংযোগে শান দিতে ২ মাস ব্যাপী নবজোয়ার কর্মসূচি শুরু করেছেন অভিষেক। তাঁর মেগা কর্মসূচি উপলক্ষ্য়ে রয়েছে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা। আর এই বিষয়টি নিয়েই বারবার প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা। তৃণমূল তার দলের কর্মসূচির জন্য পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করতে কি রাজ্যের কোষাগারে টাকা জমা দিয়েছে? নাকি সাধারণ মানুষের করের টাকা খরচ করা হচ্ছে? এই প্রশ্ন তুলে সোমবার রাজ্য পুলিশের ডিজিকে চিঠি দেন শুভেন্দু অধিকারী। খরচের প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজমুদারও।
অধীরের প্রশ্ন:
শুভেন্দুর প্রশ্নের পরদিন মঙ্গলবারই কর্মসূচির খরচ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অধীর চৌধুরীও। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, 'সরকারি টাকায় সব হচ্ছে । পুলিশ ঘিরে রেখেছে। এত টাকা আসছে কী করে? এত চুরি করে তাতেও পেট ভরছে না তাই নবজোয়ার। তবে এটা আপনার দলের জন্য নবভাটাতে রূপান্তরিত হয়েছে। মানুষ আপনাদের আর গ্রহণ করতে চাইছে না তাই সুন্দর কথা বানাতে হচ্ছে। যেখানে যাচ্ছেন মারামারি হাতাহাতি। সার্কাস হচ্ছে। বাংলায় তাহলে দুই সংগঠন পিসির এবং ভাইপোর।'
কুণালের কটাক্ষ:
অভিষেকের জনসংযোগ যাত্রার খরচ নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষের জবাব দিয়েছে তৃণমূলও। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, 'বাংলার মানুষ মনে করেন এরা বিশ্বাসঘাতক। যে সিপিএমের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের রায় ছিল। সেই সিপিএমের সঙ্গে অধীর চৌধুরী জোট করতে গিয়েছেন। সেই কারণে শূন্য। অধীরদা সঙ্গে বার্নল রাখুন...কেন আপনি নিজের সম্মান নষ্ট করছেন।'
উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু হয়েছে তৃণমূলের দু মাস ব্যাপী নবজোয়ার কর্মসূচি। শেষ হবে সাগরে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর হয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর- একাধিক জায়গায় সভা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রার্থী বাছাই নিয়ে গোপন ব্যালটে ভোটও হয়েছে। কিন্তু প্রায় সবক্ষেত্রেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভাস্থল ছাড়ার পরেই শুরু হয় বিশৃঙ্খলা। কাড়াকাড়ি শুরু হয় ব্যালট নিয়ে।
আরও পড়ুন: ওজন কমাতে কীভাবে সাহায্য করে মৌরী? রোজের মেনুতে উপকরণ রাখলে আর কী কী উপকার পাবেন?























