Trinamool: কার্যত পুলিশের 'দখলে' তৃণমূল ভবন, মালিকপক্ষ বলছেন চুক্তি ছিল তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে!
Trinamool Bhavan: তৃণমূলের তরফে চুক্তি হয়েছে দাবি করা হলেও, বাড়ির মালিক কিন্তু বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের কথা হয়েছিল। চুক্তি করা হয়েছিল ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে।

কলকাতা: তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে কার্যত সম্মুখ সমর। আর তার মধ্যেই এবার মেট্রোপলিটনের তৃণমূল ভবনের সামনে এসে পৌঁছল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। তৃণমূল ভবনের বন্ধ থাকা গেটের সামনে এসে জড়ো হয়েছেন প্রগতি ময়দান থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। কুণাল ঘোষ কথা বলতে থাকেন পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে। এক কথায় বলা যায়, তৃণমূল ভবনের কার্যত দখল নিল পুলিশ।
আরও পড়ুন: তৃণমূল ভবনের গেটে তালা লাগাল 'ঋতব্রত তৃণমূল', তারপরই সেখানে হাজির কুণাল ঘোষ
পুরো ঘটনায় 'ঋতব্রত তৃণমূল'কে কার্যত বিজেপির বি টিম বলে নিশানা করেছেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, "যারা তথাকথিত বিরোধী দল বা বিরোধী নেতা সাজছে তারা আসলে বিজেপির হাতের পুতুল, বিজেপির বি টিম, বিজেপির দালাল, বিজেপির এজেন্ট। একটা পার্টির মধ্যে দুটো মত, হতেই পারে। আমাদের অফিসে একটা তালা মারা। আমরা অনুরোধ করেছি আমরা একটা তালা মারি, পুলিশ বলছে না। যার কাছে ছবি, ক্ষমতাও তার। বেশ, তাহলে তো অন্য গেটের চাবিও আমাদের কাছে আছে। তখন বলছে না, সেটা দিয়ে ঢুকতে দেব না। ঢুকতে হলে এটা দিয়েই ঢুকতে হবে।"
বাড়ির মালিক জানিয়েছেন, ২০২৫ সালের পর এই তৃণমূল ভবন নিয়ে নতুন করে কোনও চুক্তি হয়নি। তৃণমূলের তরফে চুক্তি হয়েছে দাবি করা হলেও, বাড়ির মালিক কিন্তু বলছেন অন্য কথা। এ ছাড়াও তাঁরা বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের মৌখিক কথা হয়েছিল। তিনি নাকি বলেও ছিলেন জুন মাসের পর এই বাড়ি ছেড়ে দেবেন তাঁরা। এ ছাড়াও যেটা খবর, মালিকপক্ষ বলেছেন, এর আগে যে চুক্তি হয়েছিল, তা কিন্তু তৃণমূলের সঙ্গে হয়নি। বরং চুক্তি করা হয়েছিল ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে। এমনকি চুক্তিপত্রেও রয়েছে ফিরহাদ হাকিমের সই।
এমনকি দ্বিতীয়বার যে চুক্তির কথা হচ্ছে, সেই চুক্তিতেও নাকি রয়েছে ফিরহাদের সই। আর সেই কারণেই বর্তমান পরিস্থিতির উদ্ভব। কারণ, বর্তমানে চুক্তি রয়েছে ফিরহাদের সঙ্গে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষদের সঙ্গে কিন্তু কোনও চুক্তি হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম রয়েছেন ঋতব্রত তৃণমূলের সঙ্গে। স্বাভাবিক ভাবেই এই বাড়ি কারা ব্যবহার করতে পারবে, তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে শুরু করেছে।






















