Weather Forecast: রেকর্ড বৃষ্টি, ভাসছে জলপাইগুড়ি! টইটুম্বুর করলা
Jalpaiguri:গত চব্বিশ ঘণ্টায় জলপাইগুড়ি তে ১৩২.৭০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যা এই বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টির রেকর্ড।

রাজা চট্টোপাধ্যায়, জলপাইগুড়ি: জলে জলমগ্ন জলপাইগুড়ি শহর, জলবন্দি জলপাইগুড়ি শহরের একাধিক এলাকা,
বৃষ্টির তোড়ে ভাসছে তরাই-ডুয়ার্স। জলপাইগুড়ি থেকে কোচবিহার- প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত নাস্তানাবুদ জেলাগুলি। গতকাল রাতভর রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে জলপাইগুড়িতে। বিপুল বৃষ্টির কারণে জলস্ফীতি ঘটেছে তিস্তা, করলা এবং জলঢাকায়। বৃষ্টির তোড়ে জলে টইটুম্বুর জলপাইগুড়ি শহরের মধ্য়ে গিয়ে বয়ে চলা করলা নদী। গত চব্বিশ ঘণ্টায় জলপাইগুড়ি তে ১৩২.৭০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যা এই বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টির রেকর্ড।
এমন বৃষ্টির কারণে নদীর পাড়ের নীচু এলাকায় বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাহাড় সমতলে গত কয়েক দিন লাগাতার বৃষ্টির জেরে তিস্তা, জলঢাকা নদীতে লাল সতর্কতা জারি করেছে সেচ দফতর। জলপাইগুড়ি শহরের মধ্যে দিয়ে বয়ে চলা করলা নদী এবার ও উদ্বেগ বাড়িয়েছে পরেশ মিত্র কলোনি, নীচু মাঠ এলাকার বাসিন্দাদের। সকাল থেকে ভারী বৃষ্টির জেরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। জল দাঁড়িয়ে যাওয়ায় সমস্যায় বাসিন্দারা। নিকাশি ব্যবস্থা কিছুটা ভাল হলেও নিকাশি নালা সময় মতো পরিষ্কার না হওয়ায় সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের।
বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়িতে ১৩২.৭০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যা চলতি বছরে সর্বোচ্চ। তার ওপর তিস্তা ব্যারাজ থেকে প্রচুর পরিমাণে জল ছাড়া হচ্ছে। যার জেরে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে জলপাইগুড়ি পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড। আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে জলপাইগুড়িতে। করলার জল আরও বাড়লে শহরেও ঢুকে পড়তে পারে বলে আশঙ্কায় বাসিন্দারা। অন্যদিকে তোর্সার জলে ভাসছে কোচবিহারের ফাঁসিঘাট, দিনহাটার গীতালদহ-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। জলের তোড়ে ভেঙেছে রাস্তা, জল ঢুকেছে ঘরে। আতঙ্কে রযেছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।
শিলিগুড়িও জলমগ্ন:
রাতভর বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন শিলিগুড়ি শহরের বিভিন্ন জায়গাও। জল থইথই ফুলবাড়ি, শিলিগুড়ি পুরসভার ফুলেশ্বরী ও বাবুপাড়ার রাস্তা। অন্যদিকে প্রবল বৃষ্টির জেরে সেবকের ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নামে। প্রায় ঘণ্টা দুয়েক ব্যাহত হয় যান চলাচল।
শনিবার থেকে উত্তরে বৃষ্টি কিছুটা কমবে, সেই সঙ্গে বৃষ্টি বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। উপকূলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস শনি ও রবিবার। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, মৌসুমী অক্ষরেখা রাজস্থানের বিকানির গোয়ালিয়ার সাতনা গয়া হয়ে মালদার উপর দিয়ে পূর্ব দিকে গিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে ১৬ জুলাই রবিবার। দক্ষিণবঙ্গে একদিকে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি অন্যদিকে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা মাঝারি বৃষ্টি চলবে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টি হবে জেলায় জেলায়। ভারী বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।
আপনার পছন্দের খবর আর আপডেট এখন পাবেন আপনার পছন্দের চ্যাটিং প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামেও। যুক্ত হোন
https://t.me/abpanandaofficial
আরও পড়ুন: Wooden Furniture: বর্ষার আর্দ্রতায় নষ্ট হচ্ছে বাড়ির কাঠের আসবাব? জেনে নিন কীভাবে নেবেন যত্ন





















