BJP Leader Muslim Women: ‘মোদিকে খারাপ কথা বলেন, আবার কম্বলও নেবেন?’ মহিলা মুসলিম জেনেই চটলেন বিজেপি নেতা
দেখা যাচ্ছে যে, সুখবীর সিং জৌনাপুরিয়া কম্বল বিতরণ অভিযানের সময় মুসলিম মহিলাদের দূরে সরিয়ে দিচ্ছেন। যে কাজ করেছেন তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

নয়া দিল্লি: কম্বল বিতরণ নিয়ে 'রাজনীতি' করায় ভয়ঙ্কর বিতর্কে জড়ালেন বিজেপি নেতা। জাতীয় রাজনীতির আলিন্দ তোলপাড় হয়ে গিয়েছে। রাজস্থানের টঙ্ক সওয়াই মাধোপুরের বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ সুখবীর সিং জৌনাপুরিয়া যে কাজ করেছেন তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে (যদিও এই ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি এবিপি লাইভ বাংলা)। যেখানে দেখা যাচ্ছে যে, সুখবীর সিং জৌনাপুরিয়া কম্বল বিতরণ অভিযানের সময় মুসলিম মহিলাদের দূরে সরিয়ে দিচ্ছেন। ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাংসদ ছিলেন সুখবীর সিং জৌনাপুরিয়া। তাঁকে মহিলাদের উদ্দেশে বলতে শোনা যাচ্ছে যে, যারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে গালিগালাজ করে তাদের কম্বল পাওয়ার কোনও অধিকার নেই।
ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে শোরগোল পড়ে গিয়েছে দেশে। ভিডিও'তে দেখা যাচ্ছে, সুখবীর সিং জৌনাপুরিয়া একদল মহিলার মধ্যে কম্বল বিতরণ করছেন। তিনি তাঁদের মধ্যে একজনের নাম জিজ্ঞাসা করেন। যখন ওই মহিলা মুসলিম নাম বলেন, তখন বিজেপি নেতা তাঁর সহযোগীদের তাঁকে কম্বল না দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। তারপর এই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ার আগে সুখবীর সিং জৌনাপুরিয়া বলেন, 'আমার কথা শোনো, যারা (প্রধানমন্ত্রী) মোদিকে গালি দেয় তাদের (কম্বল) নেওয়ার কোনও অধিকার নেই। যদি আপনার খারাপ লাগে তাহলেও আমি সাহায্য করতে পারি না।' এরপর ওই মহিলাকে জায়গাটি খালি করতে বলতেও দেখা যায়।
आज टोंक जिले की निवाई विधानसभा के ग्राम करेडा बुजुर्ग में भगवान के मंदिर पर पूर्व सांसद सुखबीर सिंह जौनापुरिया द्वारा मुस्लिम रोजेदार महिलाओं से किया गया व्यवहार न केवल निंदनीय है बल्कि इस देश के सामाजिक ताने बाने को नष्ट करने वाली विघटनकारी सोच का परिणाम है।
— Harish Chandra Meena (@HC_meenaMP) February 22, 2026
गरीब और असहाय… pic.twitter.com/Nhxrp12Wnf
এছাড়া এই ঘটনা নিয়ে বিতর্ক শুরু হতেই টঙ্ক সওয়াই মাধোপুরের কংগ্রেস সাংসদ হরিশ চন্দ্র মীনা ভিডিওটি শেয়ার করেন। আর তা নিয়ে বলেছেন যে, সুখবীর সিং জৌনাপুরিয়ার আচরণ নিন্দনীয় এবং এমন একটি চিন্তাভাবনা প্রতিফলিত করে যা দেশের সামাজিক কাঠামোকে ধ্বংস করবে। সাংসদ হরিশ চন্দ্র মীনা এক্স হ্যান্ডেলে ভিডিও পোস্ট করে লেখেন, 'দরিদ্র, অসহায় মহিলাদের নাম জিজ্ঞাসা করে কম্বল বিতরণ করা এবং তাদের ধর্মের উপর নির্ভর করে ফিরিয়ে নেওয়া লজ্জাজনক এবং অমানবিক। প্রধানমন্ত্রী কি প্রাক্তন সাংসদকে বলেছিলেন যারা তাকে এবং তার দলকে ভোট দেয় না তাদের সাহায্য না করতে? যদি তাই হয়, তাহলে সরকার সংখ্যালঘুদের জন্য কর্মসূচি কেন চালাচ্ছে?'
যদিও প্রাক্তন সাংসদের দাবি, তিনি ব্যক্তিগতভাবে কম্বল বিতরণ করছিলেন, এই কর্মসূচিতে কোনও সরকারি তহবিল ব্যবহার করা হয়নি।























