Viral News: ভিডিয়ো কলে বসের প্রবল চিৎকার ! মিটিং চলাকালীন দমবন্ধ হয়ে এল, হাসপাতালে ছুটতে হল কর্মীকে
Bengaluru Techie Hospitalised : সেই কর্মী তাঁর প্রাক্তন অফিসের বসকে 'শয়তান স্বয়ং' বলে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি এও লেখেন যে সেই সিইওর কোনও ন্যূনতম টেকনিক্যাল জ্ঞান নেই।

বেঙ্গালুরু: কাজের জন্য একটি ভিডিয়ো কল চলছিল অফিসে আর সেই কল চলাকালীনই এক কর্মী দমবন্ধ হয়ে ঢলে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে ভর্তি করতে হয় হাসপাতালে। পরে তিনি জানান যে সেই ভিডিয়ো কলে তাঁর অফিসেরে সিইও (Viral News) তাঁকে তীব্র চিৎকার করে আক্রমণ করছিলেন, নানাভাবে হেনস্থা করছিলেন, আর সেই সময়েই তাঁর শ্বাসরোধ হয়ে আসে। অজ্ঞান হয়ে যান সেই কর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে বেঙ্গালুরুর এক টেক-কর্মীর (Bengaluru Techie Hospitalised) সঙ্গে। তাঁর মা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন সঙ্গে সঙ্গে।
সাত মাস ধরে কর্মক্ষেত্রে নিরলস হয়রানির পরে এই ঘটনাটি ভারতের স্টার্ট আপ ইকোসিস্টেমে মানসিক স্বাস্থ্য এবং নির্যাতন নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এই ঘটনার পরে একটি রেডিট পোস্ট করেন সেই কর্মী এবং সেখানে তিনি লেখেন, 'আমি ঠিকমত শ্বাস নিতেই পারছিলাম না সত্যি। আমার বুকের পাঁজর যেন সংকুচিত হয়ে আসছিল। আমার দমবন্ধ লাগছিল, আর তাই সেই চেয়ারেই আমি অজ্ঞান হয়ে ঢলে পড়ি। ভগবান সহায় ছিলেন যে আমার মা সেই চিৎকার শুনতে পেরেছিলেন পাশের ঘর থেকে আর সেই সময় আমার কাছে ছুটে আসেন এবং এই অবস্থায় দেখে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন।'
সেই কর্মী তাঁর প্রাক্তন অফিসের বসকে 'শয়তান স্বয়ং' বলে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি এও লেখেন যে সেই সিইওর কোনও ন্যূনতম টেকনিক্যাল জ্ঞান নেই, কিন্তু তিনি নিজেকে একজন স্বঘোষিত ডেটা সায়েন্স বিশেষজ্ঞ হিসেবে দেখাতে চান। তাঁর কথায় সেই সিইও নিজে সবসময় অবাস্তব সব ডেডলাইন দিতেন, তাঁর ইচ্ছেমত প্রজেক্টের প্রয়োজনীয়তা বদলে দিতেন আর তাঁর ভ্রান্ত ধারণা যখন বাস্তবের সঙ্গে মিলত না তখন তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলতেন।
২০২৪ সালে বেঙ্গালুরুর একটি ইভেন্ট ডিসকভারি স্টার্টআপে যোগ দিয়েছিলেন সেই জুনিয়র ডেটা সায়েন্টিস্ট কর্মী। কিন্তু সেখানে তাঁর উপরে মানসিক নির্যাতন চলেছে, কর্মীদের উপর প্রায়ই সেই সিইও চিৎকার করতেন, অবাস্তব ডেডলাইন দিতেন কাজের জন্য। প্রতিদিন তাঁকে প্রতি মিনিটের কাজের বিবরণ জানাতে হত, যদি কাজের ব্যাখ্যায় কোনও ভুল না থাকত বা তিনি কিছু বুঝতে পারতেন না, তাহলেই তিনি চিৎকার করা শুরু করতেন, এমনটাই লিখেছেন সেই কর্মী। দিনে ১২-১৪ ঘণ্টা কাজ করেও সপ্তাহান্তেও কাজ করে, সেই কর্মীর কমিটমেন্টের কোনও মূল্য দেওয়া হত না। জানা গিয়েছে এই অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ঘটনার এক সপ্তাহ আগেই তিনি সংস্থায় পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।























