Father Kills Daughter: ১ থেকে ৫০ লিখতে পারেনি, চার বছরের মেয়েকে আছাড় বাবার, মা এসে দেখলেন সব শেষ
Haryana News: হরিয়ানার ফরিদাবেদের সেক্টর ৫৮ এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে।

নয়াদিল্লি: বাড়িতে পড়াতে বসে শিশুর উপর অকথ্য অত্যাচার। অভিযোগ, শেষে চার বছরের শিশুকে পিটিয়েই মেরে ফেলল বাবা। ভয়ঙ্কর ঘটনা সামনে এল হরিয়ানা থেকে। ১ থেকে ৫০ পর্যন্ত লিখতে না পারাতেই শিশুটিকে তার বাবা পিটিয়ে মেরে ফেলে বলে জানা যাচ্ছে। (Father Kills Daughter)
হরিয়ানার ফরিদাবeদের সেক্টর ৫৮ এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। জানা গিয়েছে, স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে শিশুটির বাবা, ৩১ বছর বয়সি কৃষ্ণ জয়সওয়ালকে। দায়রা আদালতে তোলা হলে পুলিশ রিম্যান্ডে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। (Haryana News)
জানা গিয়েছে, কৃষ্ণ আদতে উত্তরপ্রদেশের শোনভদ্রের খেরাটিয়া এলাকার বাসিন্দা। পরিবার নিয়ে ফরিদাবাদের ভাড়াবাড়িতে থাকছিলেন। কৃষ্ণ এবং তাঁর স্ত্রী, দু’জনই বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। দিনের বেলা অফিস যেতেন স্ত্রী। নাইট ডিউটি করত কৃষ্ণ। গত ২১ জানুয়ারি দিন সকালে অফিস গিয়েছিলেন কৃষ্ণের স্ত্রী। বাড়িতে মেয়েকে পড়াতে বসায় কৃষ্ণ। তখনই ওই ঘটনা ঘটে।
কৃষ্ণের স্ত্রীর দাবি, চার বছরের মেয়েকে ১ থেকে ৫০ পর্যন্ত লিখতে দেয় কৃষ্ণ, যা লিখতে পারেনি একরত্তি মেয়েটি। এতেই মেজাজ বিগড়ে যায় কৃষ্ণের। মেয়েকে বেধড়ক মারধর করে সে। এত মারধর করে যে বেঘোরে মারা যায় শিশুটি।
বাড়িতে এতকিছু ঘটে গিয়েছে বলে জানতেই পারেননি কৃষ্ণের স্ত্রী। অফিস থেকে ফিরে দেখেন, মেয়ের নিথর দেহ পড়ে রয়েছে ঘরের মধ্যে। সঙ্গে সঙ্গে থানায় খবর দেন তিনি। স্থানীয় থানার পুলিশ বাড়িতে পৌঁছয় এবং দেহটিকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
ফরিদাবাদ পুলিশের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের পর শিশুটির দেহ তুলে দেওয়া হয়েছে পরিবারের হাতে।
ওই দম্পতির আরও দুই সন্তান রয়েছে, সাত বছরের ছেলে এবং দু’বছরের মেয়ে। দিনের বেলা কৃষ্ণই তাদের দেখভাল করত, পড়াতে বসাত বলে পুলিশকে জানিয়েছেন কৃষ্ণের স্ত্রী। জানা গিয়েছে, কৃষ্ণ অত্যধিক মদ্যপান করত। প্রায়শই স্ত্রী এবং সন্তানদের মারধর করত সে।
পুলিশ জানতে পেরেছে, ওই দিন ১ থেকে ৫০ লিখতে না পারায় প্রথমে মেঝেতে মেয়েকে আছাড় মারে কৃষ্ণ। এর পর রুটি বেলনা দিয়ে পেটায় শিশুটিকে। এত আঘাত সহ্য করতে পারেনি ওই ছোট্ট শরীর। মাটিতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায় মেয়েটি। স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে শিশুটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। এর পর স্ত্রীকে ফোন করে কৃষ্ণ। জানায়, মেয়ে সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়েছে। কিন্তু মেয়ের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে সন্দেহ হয় ওই তরুণীর। তিনি পুলিশকে খবর দেন।






















