এক্সপ্লোর

Ramakrishna Meets Vidyasagar : সাগরে মুগ্ধ পরমহংস, কেমন ছিল ঈশ্বরের 'ঈশ্বর' দর্শন ?

Ramakrishna Death Anniversary 16 August : গদাধর চট্টোপাধ্যায় - শ্রীরামকৃষ্ণ, ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় - বিদ্যাসাগর। বর্ষার সায়াহ্নে মহানগরের বুকে দেখা হল স্ব স্ব ক্ষেত্রে দুই মহামানবের । কী কথা হল দুজনের?  

বিশ্বাসের কত জোর শোনো ...

ঠাকুর বলতে লাগলেন, এক ব্যক্তি, তিনি লঙ্কা থেকে সমুদ্র পার হবেন। রামভক্ত বিভীষণ তাঁকে বললেন, এই জিনিসটি কাপড়ের খুঁটে বেঁধে  নাও। তাহলে জলের উপর দিয়ে চলে যেতে পারবে, ডুববে না। কিন্তু অতি উৎসাহে খুলে ফেললেই কিন্তু বিপদ। তিনিও বিভীষণের কথায় ভরসা করে এগিয়ে চললেন। ডোবার নাম নেই। হঠাৎ কী মনে হল,  বিভীষণ এমন কি জিনিস  বেঁধে দিলেন যে, জলের উপর দিয়ে চলে যেতে পাচ্ছি? এই বলে কাপড়ের খুঁটটি খুলতে দেখলেন সেখানে লেখা শুধু ‘রাম’ নাম । ভাবলেন এই  কথা ! যেই মনে সন্দেহ এল, অমনি ডুবে গেলেন। 

এই বিশ্বাস কার উপর ? ব্রহ্মের উপর।  ব্রহ্মে কীভাবে ভরসা রাখতে হয়, কীভাবে নিষ্কাম কর্মেই ঈশ্বরলাভ, এই কথা এক নাগাড়ে বলে চলেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramkrishna) পরমহংস দেব। সালটা  ১৮৮২,তারিখ  ৫ই অগাস্ট। তিনি তাঁর ভক্ত বেষ্টিত, সম্মুখে যিনি, তিনি আধ্যাত্মগুরু না হয়েও বহু মানুষের দেবতা। জীবন-দাতা। নারী স্বাধীনতার ইতিহাসকে যদি একটি বহতা নদীর সঙ্গে তুলনা করা যায়, তাহলে তিনি সে-নদীর উৎসমুখ। বিধবা বিবাহের প্রবর্তক, ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্যাসাগর। 

তথ্য বলছে, ১৮২০ সালে জন্ম হয়েছিল ঈশ্বরচন্দ্রের। আর গদাধর চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম ১৮৩৬ সালে। কথামৃত বলছে, শৈশবে শ্রীরামকৃষ্ণ বিদ্যাসাগরের (Vidyasagar) গুণকীর্ত্তন বহু শুনেছেন। তাই তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছে ছিল তাঁর বহুদিনের। সেই ইচ্ছেও একদিন পূর্ণ হল। দক্ষিণেশ্বর থেকে শ্রীরামকৃষ্ণ দেখা করতে গেলেন ঈশ্বরচন্দ্রের আমহার্স্ট স্ট্রিটের বাড়িতে। সঙ্গে কথামৃত গ্রন্থের লেখক মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত। তাঁকে মাস্টার সম্বোধন করতেন তিনি। 

বিকেল তখন ৪ টে। বর্ষার সায়াহ্নে মহানগরের বুকে দেখা হল স্ব স্ব ক্ষেত্রে দুই মহামানবের । কী কথা হল দুজনের?  

কথামৃতে উল্লেখ,  ঠাকুর ছেলেমানুষের মতো জামার বোতামে হাত দিয়ে  মাস্টারকে জিজ্ঞাসা করলেন, “জামার বোতাম খোলা রয়েছে, — এতে কিছু দোষ হবে না?” গায়ে একটি লংক্লথের জামা, পরনে লালপেড়ে কাপড়, তাহার আঁচলটি কাঁধে ফেলা। পায়ে বার্নিশ করা চটি জুতা। মাস্টার বললেন, “আপনি ওর জন্য ভাববেন না, আপনার কিছুতে দোষ হবে না; আপনার বোতাম দেবার দরকার নাই।” 

নিজের ঘরে পশ্চিমদিকে মুখ করে বসে ঈশ্বরচন্দ্র। টেবিলের পাশে বেঞ্চে বসলেন রামকৃষ্ণ।  টেবিলের উপর দোয়াত কলম আর বহু চিঠি। তা বেশির ভাগই আর্ত, সাহায্যপ্রার্থী মানুষের। কারণ চেনা বা অচেনা যেই হোন না কেন, সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতেন বলেই তিনি ঈশ্বরচন্দ্র বহু মানুষের কাছেই ছিলেন ঈশ্বরসম ।

ঈশ্বরচন্দ্রের সঙ্গে সাক্ষাৎ-লগ্নে রামকৃষ্ণ ভাবাবিষ্ট। ঠাকুরকে দেখেই বর্ধমান থেকে আনা মিষ্টি পরিবেশন করলেন ঈশ্বরচন্দ্র। আর ভাবাবিষ্ট ঠাকুর তখন সেখানে উপস্থিত মানুষদের অন্তর পড়ে বলে চলেছেন কে কেমন। বিদ্যাসাগরের কাছে আসা একজনকে দেখে বললেন,  “এ-ছেলেটি বেশ সৎ, আর অন্তঃসার যেমন ফল্গুনদী, উপরে বালি, একটু খুঁড়লেই ভিতরে জল বইছে দেখা যায়!”

পরমহংসদেব অবশেষে ভাবের ঘোর থেকে বেরিয়ে প্রথম কথা বললেন বিদ্যাসাগরের সঙ্গে। বললেন,  “আজ সাগরে এসে মিললাম। এতদিন খাল বিল হদ্দ নদী দেখেছি, এইবার সাগর দেখছি।” বিদ্যাসাগর তখন বললেন, তবে নোনা জল খানিকটা নিয়ে যান! ঠাকুর হেসে উঠে বললেন, তিনি তো অবিদ্যার সাগর নন, বিদ্যার সাগর, তাই ক্ষীরের সমুদ্র। 

 ঠাকুর বরাবর বিশ্বাস করতেন নিষ্কাম কর্মই ঈশ্বরলাভের পথ। তাই পুজোআচ্চা নিয়ে সারাক্ষণ ব্যস্ত না থেকেও বিদ্যাসাগর যে ঈশ্বরলাভের  সেই পথেই রয়েছেন, তা বুঝিয়ে দিলেন কথায়।  বললেন, “তোমার কর্ম সাত্ত্বিক কর্ম। সত্ত্বের রজঃ। সত্ত্বগুণ থেকে দয়া হয়। দয়ার জন্য যে কর্ম করা যায়, সে রাজসিক কর্ম বটে — কিন্তু এ রজোগুণ — সত্ত্বের রজোগুণ, এতে দোষ নাই। শুকদেবাদি লোকশিক্ষার জন্য দয়া রেখেছিলেন — ঈশ্বর-বিষয় শিক্ষা দিবার জন্য। তুমি বিদ্যাদান অন্নদান করছ, এও ভাল। নিষ্কাম করতে পারলেই এতে ভগবান-লাভ হয়। কেউ করে নামের জন্য, পুণ্যের জন্য, তাদের কর্ম নিষ্কাম নয়। আর সিদ্ধ তো তুমি আছই।”

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানেন, সেদিন বিকেলে দয়ার সাগর ঈশ্বর-সাক্ষাতে আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ। অনর্গল তাঁর মুখে ছিল বিদ্যাসাগরের প্রশংসা। আর অপরদিকে বসা বিদ্যাসাগর ও অন্যদের চোখে ছিল অপলক মুগ্ধতা।

শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁর ব্রহ্মজ্ঞান সকলের মধ্যে বিতরণ করছিলেন, আর সকলে পান করছিলেন  তাঁর কথামৃত। বিদ্যাসাগর একবার মহেন্দ্রনাথ গুপ্তকে বলেছিলেন, “আমাদের নিজের এরূপ হওয়া উচিত যে, সকলে যদি সেরূপ হয়, পৃথিবী স্বর্গ হয়ে পড়বে। প্রত্যেকের চেষ্টা করা উচিত যাতে জগতের মঙ্গল হয়।” 

ঠাকুর ব্রহ্মজ্ঞানের কথা বলতে গিয়ে বললেন, ব্রহ্ম নির্লিপ্ত। ব্রহ্ম যে কী, মুখে বলা যায় না। বেদের কথা ব্রহ্ম আনন্দস্বরূপ। সেই ব্রহ্মলাভ হবে কীভাবে? ঠাকুর বিদ্যাসাগরকে বললেন, “জ্ঞানীর পথও পথ। জ্ঞান-ভক্তির পথও পথ। আবার ভক্তির পথও পথ। জ্ঞানযোগও সত্য, ভক্তিপথও সত্য — সব পথ দিয়ে তাঁর কাছে যাওয়া যায়।” 

এদিন বিদ্যার প্রসার, জীবে দয়া, সমাজ কল্যাণই,যার সাধনার পথ তাঁকে শ্রীরামকৃষ্ণ শোনালেন তাঁর ব্রহ্মজ্ঞান। আর সেদিন বিদ্যাসাগর মূলত ছিলেন শ্রোতা, যিনি মাঝে মধ্যে স্বল্প বক্তব্য রাখছিলেন ঠিকই কিন্তু ঠাকুরকে থামাননি, তাঁর মত খণ্ডনও করেননি। আর রামকৃষ্ণও মনে করেছিলেন তিনি ঈশ্বরলাভ, ব্রহ্মজ্ঞানলাভের যে পন্থার কথা বলছেন, তাঁর ঈশ্বরচন্দ্রের জানা । তাই তিনি বলেছিলেন,  “এ-যা বললুম, বলা বাহুল্য আপনি সব জানেন — তবে খপর নাই। (সকলের হাস্য) বরুণের ভাণ্ডারে কত কি রত্ন আছে! বরুণ রাজার খপর নাই!” শ্রীরামকৃষ্ণের সকৌতুক উক্তি, “অনেক বাবু জানে না চাকর-বাকরের নাম (সকলের হাস্য) — বা বাড়ির কোথায় কি দামী জিনিস আছে।” অর্থাৎ যে কথাগুলি সেদিন শ্রীরামকৃষ্ণের মুখ থেকে বের হয়েছিল, সে সম্পর্কে পুরোদস্তুর ধারণা আছে বিদ্যাসাগরের, এমনটাই মনে করেছিলেন তিনি। 

এভাবেই যে কখন বিকেল ৪ টে থেকে রাত ৯ টা গড়িয়ে গিয়েছিল, টের পাননি কেউই। ফেরবার আগে রানি রাসমণির বাগান দেখতে আমন্ত্রণও জানিয়েছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ। বিদ্যাসাগর বলেছিলেন,  “ যাব বই কি। আপনি এলেন আর আমি যাব না! ” সঙ্গে সঙ্গে পরমহংসের উত্তর, “  আমার কাছে? ছি! ছি!...আমরা জেলেডিঙি। খাল বিল আবার বড় নদীতেও যেতে পারি। কিন্তু আপনি জাহাজ, কি জানি যেতে গিয়ে চড়ায় পাছে লেগে যায়। ”

বিদ্যাসাগরের সঙ্গে সেদিনের সাক্ষাতে এতটাই প্রীত হয়ে ছিলেন তিনি, বের হবার আগে বিদ্যাসাগরের আধ্যাত্মিক মঙ্গলের জন্য মায়ের কাছে প্রার্থনাও করেন তিনি। বিদায়ের সময় শ্রীরামকৃষ্ণকে বিদ্যাসাগর প্রণাম জানান। 

এভাবেই সেদিন বর্ষার সন্ধেয় হয়েছিল দুই জ্যোতিষ্কের মিলন। হয়ত তাদের কক্ষ পথ আলাদা। কিন্তু কোথাও গিয়ে মিলে গিয়েছে দুজনের জীব-প্রেমের আদর্শ।

তথ্যসূত্র - শ্রীম কথিত শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত 

 

 

 

২০০৭ সাল থেকে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত নিবেদিতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্টার আনন্দ থেকে কর্মজীবনের শুরু। এরপর বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন। ২০১৮ থেকে এবিপি আনন্দর ডিজিটাল ডেস্কে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন। সময়োপযোগী বিষয়ে প্রতিবেদন লেখা, সম্পাদনা, ভিডিও-প্রতিবেদন, উপস্থাপনা সহ বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত।

Read More
আরও পড়ুন
Sponsored Links by Taboola

সেরা শিরোনাম

TMC News : মমতার সঙ্গ ছেড়ে বিজেপিতে এই দুই হেভিওয়েট ? শোরগোল রাজ্য রাজনীতিতে
TMC News : মমতার সঙ্গ ছেড়ে বিজেপিতে এই দুই হেভিওয়েট ? শোরগোল রাজ্য রাজনীতিতে
School Bus Accident : মর্মান্তিক ! স্কুলগাড়িতে সজোরে ধাক্কা ট্রেনের , মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল একাধিক ছাত্রী
মর্মান্তিক ! স্কুলগাড়িতে সজোরে ধাক্কা ট্রেনের , মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল একাধিক ছাত্রী
Accident : ভয়াবহ দুর্ঘটনা! বিদ্যুতের তারে ঠেকল রথের চূড়া, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট অন্তত ১৫
ভয়াবহ দুর্ঘটনা! বিদ্যুতের তারে ঠেকল রথের চূড়া, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট অন্তত ১৫
Mumbai News : ভয়ঙ্কর, নির্মীয়মাণ বহুতল থেকে ভেঙে পড়ল ক্রেন; চুরমার ১২টি গাড়ি, গুরুতর জখম ১ !
ভয়ঙ্কর, নির্মীয়মাণ বহুতল থেকে ভেঙে পড়ল ক্রেন; চুরমার ১২টি গাড়ি, গুরুতর জখম ১ !

ভিডিও

Ghantakhanek Sange Suman (১৬.০৭.২৬)পর্ব ২ । 'যাদের যাওয়ার, ২১ জুলাইয়ের আগে চলে যান', একলা হয়েও অনড় মমতা
Ghantakhanek Sange Suman (১৬.০৭.২৬)পর্ব ১ । মদনের পর মমতার হাত ছাড়ল মল্লিকবাড়িও, রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা কোয়েলের
Debraj Chakraborty : বাড়ল দেবরাজের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ! নির্দেশ বারাসাত আদালতের
PM Narendra Modi News: হরিয়ানায় হাইড্রোজেন ট্রেনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি | Hydrogen Train
India's First Hydrogen Train : আজ গড়াবে দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেনের চাকা, উদ্বোধন করবেন মোদি

ফটো গ্যালারি

ব্যক্তিগত কর্নার

সেরা প্রতিবেদন
সেরা রিল
TMC News : মমতার সঙ্গ ছেড়ে বিজেপিতে এই দুই হেভিওয়েট ? শোরগোল রাজ্য রাজনীতিতে
TMC News : মমতার সঙ্গ ছেড়ে বিজেপিতে এই দুই হেভিওয়েট ? শোরগোল রাজ্য রাজনীতিতে
School Bus Accident : মর্মান্তিক ! স্কুলগাড়িতে সজোরে ধাক্কা ট্রেনের , মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল একাধিক ছাত্রী
মর্মান্তিক ! স্কুলগাড়িতে সজোরে ধাক্কা ট্রেনের , মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল একাধিক ছাত্রী
Accident : ভয়াবহ দুর্ঘটনা! বিদ্যুতের তারে ঠেকল রথের চূড়া, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট অন্তত ১৫
ভয়াবহ দুর্ঘটনা! বিদ্যুতের তারে ঠেকল রথের চূড়া, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট অন্তত ১৫
Mumbai News : ভয়ঙ্কর, নির্মীয়মাণ বহুতল থেকে ভেঙে পড়ল ক্রেন; চুরমার ১২টি গাড়ি, গুরুতর জখম ১ !
ভয়ঙ্কর, নির্মীয়মাণ বহুতল থেকে ভেঙে পড়ল ক্রেন; চুরমার ১২টি গাড়ি, গুরুতর জখম ১ !
Mamata Banerjee : 'যাঁরা যাঁরা যাওয়ার...!' 'ডেডলাইন' দিলেন মমতা, তৃণমূলের সঙ্গ ত্যাগ করলেন এই তিন হেভিওয়েট
'যাঁরা যাঁরা যাওয়ার...!' 'ডেডলাইন' দিলেন মমতা, তৃণমূলের সঙ্গ ত্যাগ করলেন এই তিন হেভিওয়েট
Iran War : ইরানে ধ্বংসযজ্ঞ! একের পর এক সেতু, রেলপথে ভয়াবহ মার্কিন হামলা, পরপর মৃত্যু
ইরানে ধ্বংসযজ্ঞ! একের পর এক সেতু, রেলপথে ভয়াবহ মার্কিন হামলা, পরপর মৃত্যু
Lamine Yamal : ফাইনালের আগে চিন্তার ভাঁজ স্পেন শিবিরে, বাঁ উরুতে মোটা ব্যান্ডেজ ; মূল অনুশীলন করলেন না ইয়ামাল
ফাইনালের আগে চিন্তার ভাঁজ স্পেন শিবিরে, বাঁ উরুতে মোটা ব্যান্ডেজ ; মূল অনুশীলন করলেন না ইয়ামাল
Local Train Incident : লোকাল ট্রেনে সিট নিয়ে বিবাদ, অন্য সহ-যাত্রীদের চোখে Pepper Spray করে দিলেন মহিলা !
লোকাল ট্রেনে সিট নিয়ে বিবাদ, অন্য সহ-যাত্রীদের চোখে Pepper Spray করে দিলেন মহিলা !
Embed widget