Burdwan Raj College: কর্তব্যে গাফিলতি ও অব্যবস্থার অভিযোগ, বর্ধমানে কলেজের অধ্যক্ষকে সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত
Burdwan News: গত বছরের ২ ডিসেম্বর বর্ধমান রাজ কলেজের অধ্যক্ষ নিরঞ্জন মণ্ডলকে শোকজ করে কলেজ পরিচালন সমিতি।

কমলকৃষ্ণ দে, পূর্ব বর্ধমান: কর্তব্যে গাফিলতি ও আর্থিক অব্যবস্থা এবং কাজে ত্রুটি, এই অভিযোগে সাসপেন্ড হলেন বর্ধমান রাজ কলেজের অধ্যক্ষ। এর আগে অধ্যক্ষকে শোকজ করা হয়। তার জবাবও দেন তিনি। জবাবে সন্তুষ্ট হতে না পেরে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেয় কলেজ পরিচালন সমিতি। অভিযোগ অস্বীকার করে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ।
সাসপেন্ড করা হল বর্ধমান রাজ কলেজের অধ্যক্ষ নিরঞ্জন মণ্ডলকে। কর্তব্যে গাফিলতি, কলেজ তহবিলে অব্যবস্থা, কাজে ত্রুটি-সহ একাধিক অভিযোগ ওঠে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। গত বছরের ২ ডিসেম্বর বর্ধমান রাজ কলেজের অধ্যক্ষ নিরঞ্জন মণ্ডলকে শোকজ করে কলেজ পরিচালন সমিতি। শোকজের জবাবও দেন তিনি। জবাব খতিয়ে দেখে শুক্রবার কলেজ পরিচালন সমিতি অধ্যক্ষ নিরঞ্জন মণ্ডলকে সাসপেন্ড করে। কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতি স্বপন পান বলেন, "অধ্যক্ষের বিভিন্ন কাজ, ভুল ত্রুটি গাফিলতি, দুর্বলতা, ইনএফিশিয়েন্সি, শোকজ হয়েছিল। উনি উত্তর দিয়েছিলেন, উত্তর সন্তোষজনক ছিল না। সেই কারণে ওঁকে সাসপেন্ড করে ডিটেল এনকোয়্যারির জন্য নতুন কমিটি তৈরি হবে।''
প্রাক্তন অধ্যক্ষ সমস্ত অভিযোগই উড়িয়ে দিয়েছেন। সাসপেন্ডেড অধ্যক্ষ নিরঞ্জন মণ্ডল জানিয়েছেন, "আমি কোনও টাকা আত্মসাৎ করিনি। চুরি করিনি যে মাথা নত করে দোরে দোরে ঘুরতে হবে। আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। কলেজে কোনও স্টাফ নেই। ইনফ্রাস্ট্রাকচার নেই। কলেজ বিল্ডিং ভেঙে পড়ছে। টাকা আছে। কিন্তু সেই টাকা স্যাংশন করার ব্যাপারে নানা সমস্যা তৈরি করছে GB গভর্নিং বডি।'' পরিচালন সমিতির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বর্ধমান রাজ কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ। নিরঞ্জন মণ্ডলের জায়গায় আপাতত দায়িত্ব সামলাবেন কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক বিজয় চাঁদ।
অবসরের চার দিন আগে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য ভাস্কর গুপ্তকে। সূত্রের খবর, এরপর রাজভবনের তরফে আরও কড়া চিঠি গিয়েছে ভাস্কর গুপ্তর কাছে। সূত্রের দাবি, চিঠিতে বলা হয়েছে, অবৈধ সমাবর্তন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ড থেকে যে টাকা তোলা এবং খরচ করা হয়েছিল, তার হিসেব সংক্রান্ত কোনও রিপোর্ট তিনি জমা দেননি। সূত্রের খবর, এই অবস্থায় চিঠিতে যত দ্রুত সম্ভব সেই টাকা বিশ্ববিদ্যালয়কের অ্যাকাউন্টে ফিরিয়ে দিয়ে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। টাকা ফেরত না হলে অন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। বিশ্ববিদ্য়ালয়ের আচার্য অর্থাৎ রাজ্যপাল এই নির্দেশ দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে।
ট্রেন্ডিং
সেরা শিরোনাম
