বুথফেরত সমীক্ষায় ভোটদানের ঠিক পরেই ভোটারদের থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। রিসার্চ মেথোডলজি মেনে প্রশ্নপত্র ধরে সমীক্ষা করা হয়।
প্রতিবারের মতো এবারও ভোটারদের মন বুঝতে, ভোটের আগেই সমীক্ষা চালিয়েছে বিভিন্ন সমীক্ষক সংস্থা। তবে গোটা দেশেই Opinion Poll বা Exit Poll-এর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। Field-Survey যত কমবে, মোবাইল বা AI সফটওয়্যারের ব্যবহার যত বাড়বে, বাস্তবের সঙ্গে সমীক্ষার ফারাক ততই বাড়বে। ফলে সমীক্ষা না-মেলার সম্ভাবনা সেই কারণেই ক্রমশ বাড়বেও। তাই শুধু সমীক্ষায় ভরসা নয়। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল জানতে সাধারণ মানুষকে অপেক্ষা করতে হবে ৪ মে পর্যন্তই।
FAQ
বুথফেরত সমীক্ষা কী? কীভাবে করা হয় এটি?
প্রথমবার বুথফেরত সমীক্ষা কারা শুরু করেছিল?
১৯৫৭ সালে দেশের দ্বিতীয় লোকসভা নির্বাচনের সময়ে Indian Institute of Public Opinion- প্রথম বুথফেরত সমীক্ষা করেছিল
প্রি-পোল এবং পোস্ট পোল কী?
ভোটগ্রহণের আগে সমীক্ষা করা হলে তাকে প্রি-পোল। ভোটগ্রহণের পরে সমীক্ষা করা হলে তাকে পোস্ট-পোল বলা হয়।
বুথফেরত সমীক্ষা নিয়ে ECI-এর গাইডলাইন কী রয়েছে?
ECI-এর নিয়ম অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ চলাকালীন কোনওরকম বুথফেরত সমীক্ষা প্রকাশ করা যায় না। ভোটপর্ব শেষ হওয়ার আধঘণ্টা পর থেকে বুথফেরত সমীক্ষা সংক্রান্ত কোনও তথ্য প্রকাশ করা যায়।
ভারতে নির্বাচনী সমীক্ষার ইতিহাস কী?
ষাটের দশকের আগে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক ওপিনিয়ন লোকসভা নির্বাচনের আগে বুথফেরত সমীক্ষা করেছিল। ১৯৯৬ সালে দূরদর্শন CSDS-এর সাহায্য বুথফেরত সমীক্ষা করেছিল। তারপর থেকেই স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলি ধীরে ধীরে জনপ্রিয় করে বুথফেরত সমীক্ষা।

























