Drinking Water Wastage Penalties: গাড়ি ধোয়া যাবে না, দেওয়া যাবে না গাছে, পানীয় জল অপচয়ে এবার আর্থিক জরিমানা
Water Wastage Fine in Bengaluru: জল বোর্ডের তরফে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

বেঙ্গালুরু: বিশুদ্ধ পানীয় জল থেকে এখনও বঞ্চিত প্রায় ২০০ কোটি মানুষ। রাষ্ট্রপুঞ্জের তরফে এমনই পরিসংখ্যান সামনে আনা হয়েছে। আর সেই আবহেই কংগ্রেস শাসিত, কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে পানীয় জল অপচয়ে জরিমানার নিয়ম চালু হল। গত বছর গ্রীষ্মে তীব্র জলকষ্টে ভুগতে হয়েছিল বেঙ্গালুরুবাসীকে। সেকথা মাথায় রেখেই নয়া নিয়ম চালু করা হল। (Drinking Water Wastage Penalties)
জল বোর্ডের তরফে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, পানীয় জল অন্য কাজে ব্যবহার করা হলে মোটা টাকা জরিমানা করা হবে। পানীয় জল দিয়ে গাড়ি ধোয়া যাবে না, গাছেও পানীয় জল দেওয়া যাবে না। অনিয়ম ধরা পড়লে ৫০০০ টাকা জরিমানা করা হবে। বার বার অনিয়ম করবেন যাঁরা, জরিমানা বাবদ অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে তাঁদের। (Water Wastage Fine in Bengaluru)
জল বোর্ডের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পানীয় জল গাড়ি ধোয়ার কাজে ব্যবহার করা যাবে না। গাছে পানীয় জল দেওয়া যাবে না, ফোয়ারাতেও ব্যবহার করা যাবে না পানীয় জল। পানীয় জল পরিবেশন ব্যাতীত সিনেমা হলে পানীয় জল ব্যবহার নিষিদ্ধ। বেঙ্গালুরু শহরে পানীয় জল অন্য কোনও কাজে ব্যবহার করা যাবে না। নিয়ম লঙ্ঘন করলে জল বোর্ডের ১০৯ নম্বর ধারায় ৫০০০ টাকা জরিমানা। বার বার একই ঘটনা ঘটলে অতিরিক্ত ৫০০০, সেই সঙ্গে আরও ৫০০ টাকা করে দিতে হবে’।
হেল্পলাইন নম্বর ১৯১৬-ও চালু করা হয়েছে, যাতে নিয়মভঙ্গ হতে দেখলে প্রশাসনকে জানাতে পারেন সাধারণ মানুষ। প্রশাসন জানিয়েছে, তাপমাত্রার পারদ উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে। পাল্লা দিয়ে নামছে ভূগর্ভস্থ জলের স্তর। ঘাটতি দেখা দিয়েছে বৃষ্টিপাতেও। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বেঙ্গালুরুতে। এমন পরিস্থিতিতে পানীয় জলের অপচয় বরদাস্ত করা হবে না। বেঙ্গালুরুর Indian Institute of Science জানিয়েছে, আগামী কয়েক মাসে জলসঙ্কট আরও তীব্র আকার ধারণ করবে।
গত বছর গ্রীষ্মে তীব্র জলকষ্ট দেখা দেয় বেঙ্গালুরুতে। প্রচণ্ড গরমে শহরের ১৪০০০ বোরওয়েল শুকিয়ে যায়। রোজ ৩০ থেকে ৫০ কোটি লিটার জলের ঘাটতি ছিল। প্রতিদিন শুধুমাত্র কাবেরী নদী থেকেই ১৪৫ কোটি লিটার জলের প্রয়োজন পড়ে বেঙ্গালুরু শহরে। পাশাপাশি, বাড়তি ৭০ কোটি লিটার জল তোলা হয় ভূগর্ভ থেকে। পরিবেশ সচেতন মানুষ তাই বেঙ্গালুরু প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।
ট্রেন্ডিং
সেরা শিরোনাম
