এক্সপ্লোর
Ancient Forest Inside Sinkhole: উপড়ে ফেললেও আবার মাথা তুলে দাঁড়ায় গাছ, চিনে গুহার নিচে রয়েছে প্রাচীন জাদু-অরণ্য
China Magical Forest: ছবি: UNESCO.

ছবি: UNESCO.
1/10

প্রকৃতির চেয়ে বড় শিল্পী আর নেই। চিনে গেলেই এই এর প্রমাণ মেলে। সেখানে প্রকৃতির রূপ দেখলে তাজ্জব বনে যেতে হয়। ছবি: UNESCO.
2/10

চিনে প্রকৃতির যাবতীয় সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল মাটির নীচে লুকিয়ে থাকা আস্ত এক একটি অরণ্য। মোটেই কল্পকথা নয়, চিনের স্বতন্ত্র গুয়াংশি ঝুয়াং এলাকায় এমনই এক অরণ্য রয়েছে। ছবি: Atlas Obscura.
3/10

চিনে পার্বত্য এলাকায় থরে থরে সাজানো গুহা রয়েছে। ২৩টি এমন গুহা UNESCO হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতিও পেয়েছে। তেমনই এক গুহার নীচে আস্ত অরণ্যের খোঁজ মেলে কয়েক বছর আগে। ছবি: Atlas Obscura.
4/10

চিনের প্রকৃতিপ্রেমীরা প্রায়শই এমন গুহার খোঁজে বেরোন। ২০২২ সালের মে মাসে এমনই নতুন গুহার খোঁজে বেরিয়েছিলেন বিজ্ঞানী ইউয়ানহাই ঝেং এবং পর্যটক লিশিম চেন। সেখানে প্রাচীন অরণ্যে পাহাড়ের উপর গুহার খোঁজ করছিলেন তাঁরা। ছবি: ভিডিও ফুটেজ থেকে সংগৃহীত।
5/10

সেখানে একটি পাহাড়ে অনুভূমিক অবস্থানে একটি গুহার খোঁজও পেয়ে যান তাঁরা। কিন্তু উঁকিঝুঁকি দিয়ে, টর্চের আলো ফেলেও ভিতরের কিছু বোঝা যাচ্ছিল না। নিকষ অন্ধকার ছাড়া চোখে পড়ছিল না কিছু। ছবি: ভিডিও ফুটেজ থেকে সংগৃহীত। ছবি: ভিডিও ফুটেজ থেকে সংগৃহীত।
6/10

কৌতূহল দমন করতে না পেরে, দড়ির সঙ্গে নিজেকে বেঁধে গুহার ভিতর প্রবেশ করেন লিশিম। খাবার, জল এবং প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে বাকিরাও তাঁর পিছনে পিছনে নামেন গুহায়। ছবি: পিক্সাবে।
7/10

খুব বেশিদূর নামার আগেই মাটিতে পা ঠেকে তাঁদের। কিন্তু সেখানেই গুহার শেষ ছিল না। বরং গাছপালা, লতাপাতা হাতে ঠেকে। সেই সব ঠেলে যখন গুহার একেবারে তলদেশে পৌঁছন, সুউচ্চ অরণ্য তাঁদের মাথার উপর। ছবি: পিক্সাবে।
8/10

লিশিম জানান, গুহার নিচে এমন অরণ্য দেখে ‘অবতার’ ছবির কথা মনে পড়ে যায় তাঁর। মাকড়শার জালের মতো লতাপাতা জড়িয়ে ছিল পরস্পরকে। গাছপালা সব এতই পলকা ছিল যে ধরে টান দিলেই উঠে আসার জোগাড় হয়। কিন্তু ছেড়ে দিলে যেমন ছিল, তেমন আকার ধারণ করে। যে কারণে ওই অরণ্যকে ‘ম্যাজিকাল ফরেস্ট’ও বলা হয়। ছবি: পিক্সাবে।
9/10

গাছপালা ঠেলে যত এগোতে থাকে ওই দল, ততই গুহার মুখের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে তাদের। গুহার একেবারে তলদেশে পৌঁছে যখন মাপজোক শুরু করেন, দেখা যায়, গুহার মুখ থেকে তলদেশের দৈর্ঘ্য ৬৩০ ফুট, ৫৮ তলার কোনও বহুতলের সমান। আয়তনে গুহাটি ১৭ কোটি কিউবিক ফুট। কিছু গাছ ১৩০ ফুট পর্যন্ত দীর্ঘ। পরবর্তী কালে সেখানে মাটির নীচ দিয়ে বয়ে যাওয়া একটি নদীরও হদিশ মেলে। ছবি: পিক্সাবে।
10/10

মাটির নিচের ওই অরণ্যে দাঁড়িয়ে যখন মুখ তুলে গুহার মুখের দিকে তাকান সকলে, সেই সময় কয়েকটি ঈগ উড়ে যেতে দেখেন তাঁরা। সেই নিরিখে ‘দ্য ঈগল নামে’ ওই গুহার নামকরণ করা হয়। গত ১ লক্ষ বছরে ওই গুহাটির সৃষ্টি বলে অনুমান গবেষকদের। চুনাপাথরের পাহাড়ের গা বেয়ে জল এগনোর সময় ওই গুহার সৃষ্টি বলে অনুমান। ছবি: পিক্সাবে।
Published at : 13 Jan 2024 05:51 PM (IST)
আরও দেখুন
Advertisement
Advertisement
Advertisement
সেরা শিরোনাম
আইপিএল
জেলার
জ্যোতিষ
ক্রিকেট
Advertisement
ট্রেন্ডিং
