Ideas of India 2025: 'তবলার চক্রব্যূহ করা হত,' হামাগুড়ি দিতে দিতে 'তালে' হাতেখড়ি বিক্রম ঘোষের
Bikram Ghosh: তবলা বাদক হিসেবে তাঁর খ্যাতি জগতজোড়া। বিখ্যাত মানুষের সন্তান হওয়ার পরও জার্নি কি আদৌ সহজ ছিল, সেই পথ চলার কাহিনি ভাগ করলেন তবলা বাদক, ফিল্ম কম্পোজ়ার ও ফিউশন আর্টিস্ট বিক্রম ঘোষ।

মুম্বই: তবলা বাদক হিসেবে তাঁর খ্যাতি সর্বত্র। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে পরিচিতি ছড়িয়েছে বিশ্বের দরবারে। তবে এই সাফল্য তো একদিনে আসেনি। শুরুও হয়নি হঠাৎ করে। কীভাবে পরিচয় হল তবলার সঙ্গে? আইডিয়াজ় অব ইন্ডিয়ার (Ideas of India 2025) মঞ্চে সেই কথা জানালেন তবলা বাদক, ফিল্ম কম্পোজ়ার ও ফিউশন আর্টিস্ট বিক্রম ঘোষ।
কখন মনে হল এটা পেশা হিসেবে বেছে নিতে পারেন?
আইডিয়াজ় অব ইন্ডিয়ার (Ideas of India 2025) মঞ্চে বিক্রম ঘোষ বলেন, "আমার বাবা ছিলেন প্রথম প্রজন্ম, যিনি তবলা বাদক ছিলেন। ওঁর মনে হয়েছিল আর যাই হোক সন্তানকে তবলা বাজাতে হবে। আমি যখন হামাগুড়ি দিই তখন, তবলার চক্রবূহ্য তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ আমি যখনই বেরোনোর চেষ্টা করব, তখনই কোনও কোনও তবলায় হাত লাগবেই। বাবার মনে হয়েছিল এতে ধীরে ধীরে আকর্ষণ বাড়বে এবং ভালবাসতেও শুরু করব। আর সত্যিই তাই হয়েছিল। তবে এরপরের পথচলাটা কঠিন। নিয়মিত চর্চা, রেওয়াজ করতে হবে। প্রতিদিন নিজেকে উন্নতি করতে হবে এই মনোভাব রাখতে হবে। বংশ পরম্পরায় কোনও কিছু পেলে দায়িত্বও আসে সঙ্গে সঙ্গে। উস্তাদের সন্তান মানেই সাফল্য পাবেন , এমনটা কিন্তু নয়। একটা দুশ্চিন্তা, চাপ সবসময় থাকে। কেরিয়ারের প্রথম পাঁচ বছর বাবার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। ধীরে ধীরে নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়। তবে গুরুদের আশীর্বাদ ছাড়া এটা সম্ভব না।''
বেড়ে ওঠার সময়টা কেমন ছিল?
বিক্রম ঘোষ জানাচ্ছেন, "৯ বছর বয়সে কনসার্ট করেছিলাম প্রথমবার। সবাই খুব প্রশংসা করেছিলেন। বাড়ি ফেরার পর বাবা বলেছিলেন, আগামী দশ বছর আর বাজাতে হবে না। ওঁর মনে হয়েছিল এই প্রশংসার জন্য হয়ত বিগড়ে যেতে পারি। তাতে লাভ কিছু হবে না। সত্যি সত্যি দশ বছর তবলা বাজাইনি। আমার উপর বেশ কিছুটা বোঝা ছিল। শুরুর দিকে একক অনুষ্ঠানে এক বয়স্ক ব্যক্তি বলেছিলেন খুব ভাল হয়েছে, কিন্তু বাবার মতো নয়। এসে বাবাকে বলি। বাবা জানিয়েছিলেন, তুমি আমাকে অনুকরণ করছ বলে হচ্ছে না। সেখান থেকে একটা জার্নি শুরু হল। একজন বিখ্যাত মানুষের সন্তান হওয়া মোটেই সহজ নয়।''
ট্রেন্ডিং
সেরা শিরোনাম
